বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০২২ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : নভেম্বর ১, ২০২২ , ৭:৪১ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সকল স্তরের সৈনিকদের ফায়ারিংয়ের মানোন্নয়ন তথা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজিবি’র সেক্টর সদর দপ্তর, কুমিল্লার ক্ষুদ্রাস্ত্র ফায়ারিং রেঞ্জে ‘বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বিজিবি’র উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কুমিল্লা সেক্টরের ব্যবস্থাপনায় গত ৩০ অক্টোবর বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় বিজিবি’র ৫টি রিজিয়ন ও ২টি স্বতন্ত্র সেক্টর থেকে আগত মোট ৭টি দলের সর্বমোট ৮৪ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম রিজিয়ন চ্যাম্পিয়ন এবং সরাইল রিজিয়ন রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া ফায়ারিংয়ে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে সরাইল রিজিয়নের কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের সিপাহী মোঃ ঈশা ইবনে লেমন ১ম শ্রেষ্ঠ ফায়ারার এবং একই ব্যাটালিয়নের ল্যাঃ নাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ২য় শ্রেষ্ঠ ফায়ারার নির্বাচিত হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এ বাহিনী কালের পরিক্রমায় এ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, একজন প্রশিক্ষিত সৈনিকের বন্ধু হচ্ছে তার ব্যক্তিগত অস্ত্র। কাজেই এই অস্ত্রের ওপর তার পারদর্শিতা থাকতে হবে। দেশপ্রেম এবং মনোবল নিয়ে প্রতিটি বিজিবি সদস্য দেশের প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদাপ্রস্তুত থাকে। আর এই প্রস্তুতির একটি বড় অংশ হচ্ছে পেশাগতভাবে নিজেকে গড়ে তোলা। তিনি বলেন, পেশাগত উৎকর্ষতার একটি অন্যতম উপাদান হচ্ছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং ফায়ারিংয়ে দক্ষতা অর্জন। অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর, সরাইল রিজিয়ন, কুমিল্লা সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সকল স্তরের বিজিবি সদস্য এবং বিভিন্ন রিজিয়ন ও সেক্টর থেকে আগত ফায়ারিং প্রতিযোগীরা উপস্থিত ছিলেন। ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শেষে বিজিবি মহাপরিচালক কুমিল্লা সেক্টর সংলগ্ন স্থানে অ্যাডহক ‘বর্ডার গার্ড স্কুল অভ্ ইন্টেলিজেন্স’ উদ্বোধন করেন। এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীতে এ ধরনের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংযোজন বাহিনীর গোয়েন্দা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সার্বিক সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ভবিষ্যতে এই অ্যাডহক স্কুলকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।