মৌলভীবাজারে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস বন্ধ

প্রকাশিত : নভেম্বর ২৩, ২০২২ , ১১:০৯ অপরাহ্ণ

মশাহিদ আহমদ, নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: মৌলভীবাজার জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও মৌলভীবাজার জেলা মিনিবাস মালিক গ্রুপ সকল বাস-মিনিবাস মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। বাস চলাচল বন্ধ রাখার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসের চালক ও যাত্রীরা। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অতিরিক্ত ভাড়া গুণে সিএনজি, ব্যাটারি চালিত টমটম, ট্রাক ট্যাংকলরী, পিক-আপ কাভার-ভ্যানসহ ছোট পরিবহনে ছুটছেন কেউ কেউ। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, শেরপুরসহ বাস টার্মিনাল ও সড়কে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা দিচ্ছেন। জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও মৌলভীবাজার জেলা মিনিবাস মালিক গ্রুপ গত ২২ নভেম্বর রাতে যৌথ মিটিং এর মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। জানা গেছে- মৌলভীবাজার জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির অফিসের স্টাফের সাথে ড্রাইভারের কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে এ ঘটনা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন ইউনিয়ন সভাপতি ফজলুল আহমদ বিষয়টি এড়িয়ে যান। এবং মৌলভীবাজার জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আসাদ হোসেন মককু ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা মিনিবাস মালিক গ্রুপ এর সদস্য সচিব ও এস জামান গ্রুপ এর কর্ণধার সৈয়দ কামাল জামান বলেন, মৌলভীবাজার জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির চেয়ারম্যান রশিদ উদ্দিন আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আসাদ হোসেন মককুসহ জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও মৌলভীবাজার জেলা মিনিবাস মালিক গ্রুপ এর নেতৃবৃন্দরা একটি রেজুলেশন এর মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। এবং অভিযুক্ত ড্রাইভারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে জানান, ড্রাইভারের পক্ষ নিয়ে ২০ নভেম্বর থেকে কিছু ড্রাইভার গাড়ী চালাননি। ২দিন চেষ্টা করা হয় বিষয়টি সমাধান করার জন্য। শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাস বন্ধের এ সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ড্রাইভার ও শ্রমিক নেতা কুতুব জানান, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাটে আয়োজিত গত ইজতেমায় বরুনা মাদ্রাসা, শেখবাড়ী মাদরাসা, শ্রীমঙ্গলসহ ইজতেমায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিয়ে গন্তব্য স্থানে যাওয়ার কারণে জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির এক নেতা ক্ষিপ্ত হন। এ নিয়ে আমার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। সর্বশেষ গাড়ীর চার্ট টাঙ্গানোর সূত্র ধরে উভয়ের মধ্যে জটিলতা বাড়তে থাকে। আমার সাথে খারাপ আচরণ এ ঘটনাটি জানা জানি হলে শ্রমিকরা প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মালিক পক্ষ অনির্দিষ্ট কালের জন্য সকল বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছেন।