ব্যক্তি উদ্যোগে ৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার

প্রকাশিত : নভেম্বর ২৭, ২০২২ , ৭:২৮ অপরাহ্ণ

হেলালী ফেরদৌসী, নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝিনাইদহ, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: এলাকার হাজারো মানুষ যখন ভেঙেচুরে গর্ত হয়ে প্রায় খালে পরিণত হওয়া সড়কে চলতে পারছিল না, থমে গেয়েছিল ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজে চলাচল, বন্ধের পথে ব্যবসা বাণিজ্য আর সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম, ঠিক সে সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক। সড়কের খানাখন্দ ভরাট করে উপযোগী করা হয়েছে চলাচলের। এতে দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়েছে ওই সড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ। এলাকাবাসী জানান, ঝিনাইদহের হামদহ-টিকারী সড়কে হামদহ বিশ্ববোড় থেকে বয়েড়াতলা বাজার পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন সড়ক সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চলাচল ছিলো এই সড়কে। কিন্তু সংস্কার না করায় ৩ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। এতে প্রায় দুর্ঘটনার শিকার হয় সড়কে চলাচল কারীরা। মানুষের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ দেখে সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিনি শুরু করেন সড়ক সংস্কারের কাজ। গত ২ দিন ধরে সড়কের বিভিন্ন খানাখন্দে ইট-বালি ও সুরকি দিয়ে তার উপর রোলার দিয়ে মসৃণ করেছেন। এতে কমেছে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি। সড়কে চলাচলকারী ইজিবাইকচালক রহিম শেখ জানালেন, এই সড়কটুকু ভাঙ্গা হওয়ার কারণে এতদিন অনেক কষ্ট হতো, মাঝেমধ্যে তার মত অনেকের থ্রি-হুইলারই উল্টে যেত। রাস্তা ঠিক হওয়ায় এখন আর কোন সমস্যা নেই। কলেজ-ছাত্রী মন্নুজান ও রাবেয়া খাতুন জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে এই ভাঙ্গা রাস্তায় চলাচল করতে অনেক সময় লাগত, কষ্ট হতো। এখন রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন, এখন সময়মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান যাবে বলে তারা মনে করেন। কালীচরণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই সড়কটি পৌরসভার মধ্যে হলেও এই সড়ক দিয়ে তার ইউনিয়নসহ আশপাশের আরও কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন চলাচল করে। সড়ক ভাঙ্গা হওয়ার কারণে মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি বহুবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বললে সড়কটি সংস্কার হতে সময় লাগবে বলে তিনি জানান। পরে তার সহযোগিতায় আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে এটি করেছি। আমি চেয়েছি মানুষের কষ্ট যেন লাঘব হয়।