নোয়াখালীতে বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় আরও এক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত : জুলাই ৫, ২০২২ , ৭:০১ অপরাহ্ণ

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পায়ুপথে টর্চ-লাইট ঢুকিয়ে বৃদ্ধ শেখ নাছির উদ্দিন মাইজভান্ডারীকে (৬৮) নির্যাতনের ঘটনায় আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আব্দুল গনি (৫৫) উপজেলার চর বৈশাখী গ্রামের ওহাব আলীর ছেলে। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। সোমবার ৪জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চর বৈশাখী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বলেন, রোববার ৩ জুলাই দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী বৃদ্ধের ছেলে ইউপি সদস্য মো. রিপন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার থানারহাট বাজার থেকে প্রধান আসামি আবুল হোসেন শাহনাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর মামলার এজাহার নামীয় ৮নং আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার প্রধান আসামিকে সোমবার ৪ জুলাই বিকেলে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের থানারহাট সংলগ্ন আমানতগঞ্জে শেখ নাছির উদ্দিন মাইজভান্ডারী নামে এক বৃদ্ধ নির্যাতনের শিকার হন। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, চরওয়াপদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ভূঞার ইদ্বনে ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শাহনাজ ও তার লোকজন ওই বৃদ্ধের পায়ু পথে টর্চ-লাইট ঢুকিয়ে তাকে পাশবিক নির্যাতন করে। একটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করছে ভুক্তভোগীর পরিবার। শুক্রবার রাতে ঘটনার পর শনিবার বৃদ্ধ নাছির উদ্দিনকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে রোববার সকালে হাসপাতালের জেনারেল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান মানিকের নেতৃত্বে বৃদ্ধের শরীরে অস্ত্রোপচার করে টর্চ-লাইটটি বের করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।