অবৈধভাবে সার মজুত: ঝিনাইদহে ডিলারকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : আগস্ট ২৪, ২০২২ , ৭:৫০ অপরাহ্ণ

হেলালী ফেরদৌসী, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: ঝিনাইদহে অবৈধভাবে সার মজুত রাখায় ডিলারকে ৬ মাসের কারাদণ্ডসহ এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে ডিলারের সহযোগীকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ এমওপি (পটাশ) সার। মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আক্তার সুমী এ দণ্ড দেন তাদের। দণ্ডিতরা হলেন, সদর উপজেলার ফুরসুন্দি ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার মো. আবু জাফর মুন্সী ও তার ম্যানেজার আব্দুর রহিম। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জিহাদুল করিম জানান, সদর উপজেলার ফুরসুন্দি ইউনিয়নের ধননজয়পুর বাজারের একটি গুদামে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া ও এমওপি (পটাশ) সার মওজুদ রাখার খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তির গুদামে ৫ মেট্রিক টন এমওপি সার মজুত পাওয়া যায়। তিনি আরও জানান, ওই সার কৃষকদের কাছে গত মাসেই বিক্রি করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ডিলার মুন্সী রাসেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবু জাফর তা করেননি। এছাড়াও ১৬ মেট্রিক টন ইউরিয়ার সার বিক্রির বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ওই বিসিআইসি সার ডিলার মো. আবু জাফরকে ৬ মাসের কারাদণ্ডসহ এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই আদেশে তার ( ডিলারের) ম্যানেজার আব্দুর রহিমকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও গুদামের মালিক আলমগীর হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডিতদের বিকাল ৫টার দিকে পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই ডিলার মুন্সী রাসেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবু জাফর ১৪ দশমিক ৮ মেট্রিক টন এমওপি সার উত্তোলন করেন। ওই সার এলাকার কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু ওই ডিলার সার বিক্রি না করে অবৈধভাবে মজুত করে রাখেন। একই সঙ্গে ওই ডিলারের নামে বরাদ্দ করা ১০৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের মধ্যে ১৬ মেট্রিক টন সার বিক্রির কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।