ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার কাস্টমস কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২ , ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নোয়াখালীতে এক কাস্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট অফিস কর্মকর্তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডিত গোলামুর রহমান চট্রগ্রামের মোঘলটুলী এলাকার আব্দুল করিম চৌধুরীর ছেলে। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্তকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। আদালতের নথি ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে নিলামে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কিছু গার্মেন্টস পণ্য ক্রয় করেন ব্যবসায়ী হাজী সেলিম। তারপর ২০০৮ সালের ২০ আগস্ট রাত ২টার দিকে মালগুলো চট্রগ্রাম থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মালবাহী কাভার্ড ভ্যানটি ফেনী এলাকায় পৌঁছলে আটক করেন ফেনীর কাস্টমস সুপারিন্টেনডেন্ট গোলামুর রহমান ও ইন্সপেক্টর বিএম শাহজাহান। ওই সময় মালগুলো অবৈধ বলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন গোলামুর রহমান। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম-২ দুদকের পরামর্শে গোলামুর রহমানকে ৬০ হাজার টাকা মার্ক করে ঘুষ দেওয়ার সময় দুদকের সহকারী পরিচালক শেখ আবদুস সালামের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী হাজী সেলিম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে ঘটনাটি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগ-পত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক নোয়াখালীর পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলায় অভিযুক্ত আসামি গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বিচারক ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ১৬১ ধারায় আসামিকে দুই বছর ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজকে আসামি আদালতে এসে মামলা কন্টেস্ট করে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেননা। পরে রায়ের খবর শুনে আসামি পালিয়ে যায়।