পঞ্চগড়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণে চেষ্টার অভিযোগে ২জন গ্রেফতার

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৮, ২০২২ , ৭:১০ অপরাহ্ণ

ডিজার হোসেন বাদশা, নিজস্ব প্রতিনিধি, পঞ্চগড়, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় প্রাইভেট পড়ে বাড়িতে ফেরার পথে নবম শ্রেণী পড়ুয়া এক মাদরাসা ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তরা হলেন, বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের ঘোড়ামারা কলোনি পাড়া এলাকার আব্দুল সিদ্দিকের ছেলে ফিরোজ আলী (২৭) ও একই এলাকার রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে মারুফ হোসেন (২১)। ভিকটিম মাদরাসা ছাত্রীর বাড়ি একই উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নে। সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে অভিযুক্তদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত গভীর রাতে ওই দুই যুবককে আসামী করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের বাবা। মামলার পরেই তৎপর হয়ে উঠে বোদা থানা পুলিশ। এর মাঝে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার সকালে বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের ঘোড়ামারা কলোনি পাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিকটিম মাদরাসা ছাত্রী মাদরাসায় প্রাইভেট পড়ে দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ এলাকা থেকে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরছিল। এ সময় বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের সাকাতী পাড়া এলাকায় পৌছালে অভিযুক্ত ফিরোজ ও মারুফ নামে ওই দুই যুবক তাকে স্থানীয় এক ব্যক্তির চা বাগানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তারা ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা করে। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে ফিরোজ ও মারুফ পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম মাদরাসা ছাত্রী বাড়িতে ফিরে মাকে বিষয়টি জানায়। পরে ওই মাদরাসা ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত গভীর রাতে ওই দুই যুবককে আসামী করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে বোদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ২২ ধারায় ওই মাদরাসা ছাত্রীর জবানবন্দী নেয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত দুই যুবক তাদের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।