রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মৌলভীবাজারে এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৯, ২০২২ , ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

মশাহিদ আহমদ, নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: মৌলভীবাজারে এ্যাম্বুলেন্স চালকের প্রতারণায় রোগীর মৃত্যু ও পৈশাচিক হামলায় জড়িত এ্যাম্বুলেন্স চালক খালেদ মিয়া (৩৫), রাশেদ মিয়া (২৭), সাদিক মিয়া (৫০)সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন এর বিরুদ্ধে বেআইনি জনতাবন্ধে মিলিত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম এবং প্রতারণা করে অবহেলায় মৃত্যু ঘটানোর অপরাধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ছেলে মোঃ শিপু মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। এ্যাম্বুলেন্স চালক খালেদ ও রাশেদ, ফিরুজ মিয়ার ছেলে এবং বর্তমান শহরের পাগুলিয়া, ইমাম সাহেবের বাড়ীতে বাস করেন। এছাড়া এ্যাম্বুলেন্স চালক সাদিক মিয়া ছাতির উল্ল্যা‘র ছেলে। তিনি মৌলভীবাজার শহরের দরগা মহল্লা এলাকায় বসবাস করেন। সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর সকালে কমলগঞ্জ উপজেলার কালেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন হঠাৎ শ্বাস কষ্ট জনিত কারণে অসুস্থতা-বোধ করায় তার ছেলেরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অক্সিজেন সহকারে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন আছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে ড্রাইভার সাদিক মিয়া অক্সিজেন আছে বলে নিশ্চিত করেন। পরে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সে জানায় তার এ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন নেই। পথে অক্সিজেনের অভাবেই গাড়ির ভিতরেই কামাল উদ্দিনের মৃত্যু হয়। এনিয়ে মৃত ব্যক্তির ছেলেদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সাদিক মিয়া ও খালেদ মিয়াসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন মিলে সাথে থাকা স্বজনদের বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীরা মৃত বাবার পাশ থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করান। সর্বশেষ এ ঘটনায় গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে শহরের চৌমুহনা চত্বরে সচেতন এলাকাবাসী ও শোকাহত পরিবারসহ সর্বস্তরের লোকজন পৈশাচিক এ হামলায় জড়িত এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ জড়িত সিন্ডিকেট চক্রকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।