বঙ্গবন্ধু কবি নজরুলকে বাংলাদেশে এনে জাতিকে গৌরবান্বিত করেছেন

প্রকাশিত : মে ২৪, ২০২২ , ১১:১২ অপরাহ্ণ

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ), ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালির অহংকার। অসুস্থ কবিকে বাংলাদেশে এনে এবং তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে গৌরবান্বিত করেছেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাত্র কয়েক মাস পর ২৪ মে তারিখে ভারতের একজন নাগরিককে বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব প্রদান করা বঙ্গবন্ধুর মতো একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরাক্রমশালী রাজনীতিক ও রাষ্ট্র নায়কের পক্ষেই সম্ভব ছিলো বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার উল্লেখ করেন। মন্ত্রী মঙ্গলবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশে আনার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচাh© অধ্যাপক সৌমিত্র শেখরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নূরুল হুদা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর হুমায়ুন কবীর বক্তৃতা করেন। বাঙালি কোনো দুর্বল জাতি নয় এবং বাংলা কোনো দুর্বল ভাষা নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের বঙ্গবন্ধু, নজরুল ও রবীন্দ্রনাথ আছেন। বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র। পৃথিবীর ৩৫ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে । ত্রিশালে জাতীয় কবি নজরুলের নামে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্ম ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৮ সালের ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত প্রদানের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের জন্য উচ্চ শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির সাথে আমরা যারা যুক্ত ছিলাম তারা চেয়েছিলাম এটিকে একটি পরিপূর্ণ সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলবো। এখানে নজরুল চর্চা প্রাধান্য পাবে কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। একই সাথে এটি হবে দেশের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। মন্ত্রী সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত নজরুল থেকে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন এবং এ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বই ও স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ঘুরে দেখেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি ডিজিটাইজেশনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রধানের আশ্বাস ব্যক্ত করেন। এর আগে মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক প্রীতিকুমার মিত্র এবং বিশিষ্ট শিল্পী সুজিত মোস্তাফাকে নজরুল পদক হস্তান্তর করেন।