পদ্মা সেতুর কারণে স্থলবন্দরগুলো বিশেষ সুবিধা পাবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : জুন ১৪, ২০২২ , ৮:২৪ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ৫০ বছরের গর্বের স্থাপনা পদ্মা সেতুর মাধ্যমে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (ভোমরাসহ অন্যান্য স্থল বন্দর) মোংলা সমুদ্র বন্দর, পায়রা সমুদ্র বন্দর বিশেষ সুবিধা পাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে এগিয়ে যাব। আমরা এককভাবে ভাল থাকতে চাইনা; আমরা প্রতিবেশীদের নিয়ে, বিশ্বকে নিয়ে ভাল থাকতে চাই। মানবিক পৃথিবী দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ২০০১ সালে ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে স্থলবন্দর করেছিলেন তা শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘আঞ্চলিক বাণিজ্য, আন্তঃসংযোগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্থলবন্দরের ভূমিকা’শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি মোঃ শফিউল ইসলাম এমপি ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল, ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অভ্ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান আবদুল মতলুব আহম্মেদ এবং বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ২০০১ সালের ১৪ই জুন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠাকালীন সংস্থাটি ১৩টি স্থলবন্দর নিয়ে যাত্রা শুরু করে। সরকার ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক দিক নির্দেশনায় ২৪টি স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আমদানি-রপ্তানি পণ্য নিরাপদে পারাপার করা স্থল বন্দরের মূল দায়িত্ব। স্থলবন্দরের সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেনাপোল ও বুড়িমারী স্থল বন্দরে অটোমেশন চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল স্থলবন্দরক্ষে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। বন্দরগুলোর ইয়ার্ড বৃদ্ধি করা হচ্ছে।