ঈদের দিন রাত ১০টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে

প্রকাশিত : জুলাই ৭, ২০২২ , ৭:৩২ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: পবিত্র ইদুল আজহার দিন রাত ১০টার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে জাইকার কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইউহো হায়াকাওয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন সকালে পশু কোরবানির পর থেকেই পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু হবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে সব জায়গা থেকেই বর্জ্য অপসারণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। রাত ১০টার পর কোথাও বর্জ্য থাকবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর হাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাসহ দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে ইতোমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হয়েছে। করোনা সংক্রমনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী সকল মানুষকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট এবং ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট বসবে। হাটে ক্রয় বিক্রয়ের জন্য যারা আসবে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। রাস্তার পাশে কোথাও হাট বসবে না বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে দশ জনের সমন্বয়ে কমিটি করার একটা নির্দেশনা আগে থেকেই ছিলো। এই কমিটি করোনাসহ যেকোনো দুর্যোগে কাজ করবে। সিটি কর্পোরেশনগুলো সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিটি কর্পোরেশন ঈদ উপলক্ষ্যে যৌথভাবে একটা প্রোগ্রাম চালু করেছে, তা হলো ক্যাশ টাকা ছাড়াই পশু ক্রয়-বিক্রয়। হাটে কেউ ক্যাশ টাকা না নিলেও হবে যদি তার কাছে ক্রেডিট কার্ড থাকে। অ্যাকাউন্টে টাকা থাকলে সেই টাকা বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। জাইকার প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাথে মহেশখালীসহ অন্যান্য অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ তৈরিতে অর্থায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাইকা। মাতারবাড়িতে দুইটি প্রকল্পে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ করার প্রস্তাবনা দিয়েছে তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে জাইকার প্রতিনিধি ইউহো হায়াকাওয়া প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, জাইকা বাংলাদেশের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।