সম্প্রীতির বন্ধন শক্তিশালী করতে সকলকে একতাবদ্ধ হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : জুলাই ৮, ২০২২ , ৭:৪২ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন। এটা বাস্তবায়নে সম্প্রীতির বন্ধন শক্তিশালী করতে সকলকে একতাবদ্ধ হতে হবে।
শুক্রবার ঢাকায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জগন্নাথদেব মানব কল্যাণে বছরে একবার ধরাধামে নেমে আসেন। মানব সেবার জন্য তিনি যে নির্দেশনা রেখে গেছেন তা অনুসরণ করলে বিশ্বে কোন হানাহানি থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সকল ধর্মের মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সমাজের বিশৃঙ্খলা ও হানাহানি রোধ করতে হলে নিজের মনের কালিমা দূর করতে হবে। এসময় তিনি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে মানব সেবায় আত্মনিয়োগে ভক্তবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব ২০২২ শুরু হয় পহেলা জুলাই। উল্টোরথ যাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালা শুক্রবার শেষ হয়। ৮ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, পদাবলি কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ, ধর্মীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও ধর্মীয় নাটক মঞ্চায়ন। ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রী চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাক সুজিত রায় নন্দী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হলের সাবেক প্রাধাক্ষ্য ড. অসীম সরকার, বিশিষ্ট সাংবাদিক বাসুদেব ধর এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রমেন মন্ডল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসকনের পরিচালক শুভ নিতাই দাস ব্রহ্মচারী। উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধন করেন ভারতের মায়াপুর শ্রীধামের শ্রীমৎ ভক্তি বিজয় ভাগবত স্বামী মহারাজ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন জগন্নাথদেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয় না। এ বিশ্বাস থেকেই রথের উপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।