ভারত বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের পরিক্ষীত বন্ধুরাষ্ট্র। উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, আরো বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। উভয় দেশের আন্তরিকতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগগুলো কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতিসম্প্রতি ভারত সফর করেছেন। দু’দেশের সরকার প্রধানের আলোচনার প্রেক্ষিতে এ সুযোগ-সুবিধার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এতে উভয় দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে। বাণিজ্য ক্ষেত্রে জটিলতাগুলো দূর হলে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বাড়বে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হচ্ছে, এতে করে উভয় দেশের মানুষ উপকৃত হচ্ছে। সীমান্তে স্থাপিত বর্ডারহাটগুলোর প্রতি উভয় দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। এর সুফল উভয় দেশের মানুষ ভোগ করছে। উভয় দেশের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা বাড়ছে। মঙ্গলবার ঢাকায় তাঁর সরকারি বাসভবনে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বিদায়ি হ্ইাকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীক জটিলতা দূর করতে ভারতের বিদায়ি হ্ইাকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। সেপা চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ খুবই আশাবাদী। এতে করে সেবা ও পণ্য বাণিজ্য বিনিয়োগ মেধাস্বত্ব ও ই-কমার্স এর মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা যাবে। এতে উভয় দেশের বাণিজ্য আরো বাড়বে। ভারতের বিদায়ি হ্ইাকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের সময়ে সবার আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের সময়টুকু স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক কাজ হয়েছে, আরো অনেক কাজ করার সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের প্রচুর চাহিদা আছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে, আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরকে আরো কার্যকর করে উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়ানো সম্ভব। সেপা চুক্তি উভয় দেশের জন্য ভালো হবে, এতে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের সড়কপথ যোগাযোগ খুবই ব্যবসাবান্ধব হবে।