ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট প্রোগ্রাম নারীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে

প্রকাশিত : নভেম্বর ৭, ২০২২ , ৫:৪০ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট প্রোগ্রাম (VMB) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত দেশের গ্রামীণ দুঃস্থ মহিলাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে একটি বৃহত্তর সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি। যা নারীদের খাদ্য, পুষ্টি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা দূর করে আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, VWB এর উপকার-ভোগী অসচ্ছল, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্তা নারী, যাদের পরিবারের নিয়মিত উপার্জনক্ষম সদস্য বা নিয়মিত আয় নেই এমন নারী। যারা ভূমিহীন ও নিজ মালিকানা জমির পরিমাণ ০.১৫ শতকের কম। এদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৫০ বছর। যেসকল পরিবার দৈনিক দিন মজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করে ও মাটির দেওয়াল অথবা পাটকাঠি বা বাঁশে তৈরি ঘরে থাকে, যে পরিবারে কিশোরী বা ১৫-১৮ বছর বয়সী মেয়ে, অটিজম অথবা প্রতিবন্ধি সন্তান এবং বিদেশ থেকে প্রত্যাগত অভিবাসী নারীরা অগ্রাধিকার পাবে। প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, দেশের ৬৪ জেলার ৪৯২ উপজেলায় সকল ইউনিয়নে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। VWB কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর কোন ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলে উপকার-ভোগীদের চলমান খাদ্য সহায়তা ও প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে VWB কার্যালয়ে ২০২৩-২০২৪ চক্রের উপকার-ভোগী নির্বাচনের জন্য VWB MIS Web Portal এবং VWB App উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়াহিদ্দুজামানসহ এটুআই ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রতিনিধিবৃন্দ।
ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট প্রোগ্রামের কার্যক্রম উপস্থাপনায় জানানো হয়, উপকারভোগীগণ সঞ্চয় ব্যবস্থাপনার আওতায় প্রতি মাসে নিজ একাউন্টে দুইশত চল্লিশ টাকা সঞ্চয় জমা করবে। যা হবে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রারম্ভিক মূলধন গঠন। সঞ্চয়কৃত অর্থ এবং প্রশিক্ষণে প্রাপ্ত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা দুই বছর পরে নিজেরাই ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে পারবে। এর ফলে তারা আয় বর্ধক ও ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। দেশের অর্থনীতির মূল স্রোতধারায় VWB কার্যক্রমের এই ১০ লক্ষ ৪০ হাজার নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।