টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে অবশ্যই ভূ বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করা উচিত

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ৭, ২০২২ , ১০:২২ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে অবশ্যই ভূ-বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা উচিত। এলাকাভিত্তিক মহাপরিকল্পনায় ভূ-বৈজ্ঞানিক তথ্যের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়। নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টতা থাকা সময়ের দাবি। প্রতিমন্ত্রী বুধবার সোনারগাঁও হোটেলে ‘Geo-information for Urban Planning and adaptation to Climate Change’ শীর্ষক প্রকল্পের অর্জন নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের অর্জন সন্তোষজনক হলেও গবেষণার ক্ষেত্র আরো বাড়ানো প্রয়োজন। ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংক্রান্ত উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হলে সফলতার হার আরো বাড়ানো সম্ভব। ভূ-বৈজ্ঞানিক তথ্য সকলের ক্ষেত্রে ব্যবহারের একটি নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) ও Federal Institute for Geosciences and Natural Resources (BGR), জার্মানি-এর যৌথ কারিগরি সহযোগিতায় বরিশাল ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন, ফরিদপুর ও সাতক্ষীরা পৌরসভা এবং আশপাশের এলাকায় পরিচালিত এই প্রকল্পে নিরাপদ অথবা নূন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ সহায়ক নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক স্থাপনা তৈরির লক্ষ্যে ভূস্তরের উপরিভাগ ও নিম্নভাগের ভূতাত্ত্বিক, ভূ-প্রযুক্তিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের কম্পিউটারাইজড ডিজিটাল ডেটা বেইজ তৈরি, ভূ-প্রকৌশল কূপ খননের মাধ্যমে প্রাপ্ত ভূ-নিম্নস্থ নমুনা মাটির ভূ-প্রকৌশল গুণাগুণ নির্ণয়করণ PS Logging ও MASW জরিপের মাধ্যমে স্বল্প গভীরতার মাটির ভূ-কম্পন দুর্যোগজনিত অবস্থা নির্ণয়করণ, প্রাপ্ত উপাত্তসমূহ বিভিন্ন সফটওয়ার ব্যবহার করে বিভিন্ন কারিগরি মানচিত্র প্রস্তুতকরণ, যেমন- ভূ-প্রাকৃতিক, ভূ-প্রকৌশল, প্লাবন এলাকা মানচিত্রায়ন; Vertical Ground Motion ইত্যাদি বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও মানচিত্রায়ন; ডিজিটাল ত্রি-মাত্রিক ভূতাত্ত্বিক মডেল তৈরিকরণ ও বিল্ডিং গ্রাউন্ড সুইটেবিলিটি মানচিত্রায়ন করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে এলজিআরডি’র সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহীম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, জার্মানির রাষ্ট্রদূত Achim Troster, জিএসবি’র মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, বিজিআর, জার্মানি-এর প্রজেক্ট
কো-অর্ডিনেটর Lena Maria Lorenzen, জিএসবি’র প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল কামাল, বিজিআর-এর প্রকল্প ম্যানেজার Werner Buchert বক্তব্য রাখেন।