পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে সংস্কৃতির স্বতঃস্ফূর্ত আদান প্রদান ঘটবে

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ৭, ২০২২ , ১০:৪০ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে এপার ওপারের মানুষের মধ্যে সংস্কৃতির স্বতঃস্ফূর্ত আদান-প্রদান ঘটবে। একইসঙ্গে দু’পারের মানুষের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। প্রতিমন্ত্রী বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাতীয় জাদুঘর আয়োজিত ‘পূর্বাপরে পদ্মা সেতু: সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা -২০২২ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যিক সংস্কৃতির ভাণ্ডার বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জেলাগুলো। লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির অজস্র উপকরণ, আঙ্গিক এবং লোকপ্রিয় ধারা-উপধারা রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবনে। পদ্মা সেতুর সফল উন্মোচনের পর এখন দেয়া-নেয়া হবে দক্ষিণের সাথে উত্তরের, পশ্চিমের সাথে পূর্বের সংস্কৃতি চর্চার। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কম ষড়যন্ত্র হয়নি। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা প্রধানমন্ত্রী তথা দেশবাসীর এই স্বপ্নকে বিনষ্ট করার জন্য কত রকমের ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছিল। কত রকমের অপবাদ ছড়ানো হয়েছে। কিন্তু সত্য ও ন্যায়ের কাছে এসব আজ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। পদ্মা সেতু এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, এটি এখন বাস্তব সত্য। এটি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় স্থাপনা। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হাবিবুর রহমান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক খান মাহবুব। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের কিপার ড. শিহাব শাহরিয়ার। প্রতিমন্ত্রী এর আগে রাজধানীর বাংলা একাডেমির শহিদ মুক্তমঞ্চে বাংলা একাডেমির ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।