দেশের সকল জেলা হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করা হবে

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১৬, ২০২৩ , ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালের সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে ঢাকাসহ সকল জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সেবা চালু করা হয়েছে। সোমবার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও এই ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সেবা উদ্বোধন করা হলো। ফলে এখন থেকে এই জায়গাতেই একজন রোগী ঝামেলামুক্তভাবে সব রকম সেবা পাবেন। এর পাশাপাশি, ৫০০ বেড থেকে উন্নীত করে এই হাসপাতালে আজ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ বেডের সেবা কার্যক্রম শুরু করা হলো। এছাড়া নানারকম টেস্ট সুবিধা, আইসিইউ, এসডিইউ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এখন থেকে আর কোনো রোগীকে ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। রোগীরা এখন থেকে উন্নত বেডে চিকিৎসা নিতে পারবেন। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি এন্ড ক্যাজুয়াল্টি (ওএসইসি) সার্ভিস এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কর্মরত স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্সদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, এই হাসপাতালের শুধু ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করার কাজেই সরকারের ৯২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ১২টি নতুন অপারেশন থিয়েটারসহ শতশত বেড বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এগুলোতে যদি সেবা দিতে কাজ করাই না হয়, মানুষকে সেবা দিতে নৈতিকতা কাজ না করে তাহলে সরকারের সব প্রচেষ্টা নষ্ট হবে। কোনো যন্ত্র নষ্ট হলে তা যদি ঠিক না করে ফেলে রেখে রোগীদের বাইরে চিকিৎসা নিতে পাঠানো হয়, সেটা নৈতিক অপরাধ হবে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুহ. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো অসহায় মানুষ যেন সরকারি হাসপাতালে এসে সেবা না পেয়ে মনে কষ্ট নিয়ে ফিরে চলে না যান সেটি আপনাদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। আর ভালো কাজ করলে আপনাদের জন্য সরকার সব সুযোগ সুবিধা আরো বৃদ্ধি করবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহ. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল) নাজমুল হক, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, স্বাচিপ এর সভাপতি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মিলন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর আহমেদুল কবীর, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব কাজী সফিকুল আজম, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবিএম মাসুদুল আলম, পরিচালক খলিলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।