চাহিদা মোতাবেক ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছি

প্রকাশিত : জুলাই ৭, ২০২৪ , ৪:০৬ অপরাহ্ণ

আশিষ চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিববুর রহমান বলেছেন, সম্প্রতি উজান থেকে নেমে আসা পানি এবং ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত একনেক মিটিংয়ে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। সে প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমি বন্যা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বন্যা দুর্গত জেলা সমূহের জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং করে এখানকার খোঁজখবর নিয়েছি। বন্যা দুর্গত এলাকাসমূহে মানুষের প্রয়োজন এবং চাহিদা মোতাবেক আমরা তাদেরকে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। রবিবার (৭ জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ) বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যা দুর্গত এলাকায় দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১৮ জেলায় ২১ হাজার ৭ শত মেট্রিক টন চাল, নগদ ৫ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা, ৬৫ হাজার ৫ শত প্যাকেট শুকনা ও অন্যান্য খাবার, গো-খাদ্য বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা এবং শিশু খাদ্যের জন্য ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সিলেট-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও মৌলভীবাজার-২ সংসদীয় আসনে ২৫০০ প্যাকেট শুকনা ও অন্যান্য খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জেলার সংখ্যা ১৮ টি, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। বন্যা দুর্গত লোকদের আশ্রয়ের জন্য প্রায় তিন হাজার আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছে। বন্যার্তদের চিকিৎসার জন্য ৬১৯টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। আজ আমরা আন্ত:মন্ত্রণালয় মিটিং করেছি। এখানে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় থেকে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। সে প্রেক্ষিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে কিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। আমরা ত্রাণ কার্যক্রম স্বচ্ছতার সাথে চালিয়ে যাচ্ছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে একটি মানুষও দুর্ভোগের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করবে না। মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হবে। বন্যা উপদ্রুত জেলাসমূহ :
সিলেট সুনামগঞ্জ নেত্রকোনা মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ রংপুর ফেনী রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি শেরপুর বান্দরবান কুড়িগ্রাম গাইবান্ধা জামালপুর লালমনিরহাট সিরাজগঞ্জ বগুড়া টাঙ্গাইল

[wps_visitor_counter]