শিক্ষকদের টার্গেট করে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত : জুন ২৭, ২০২২ , ৫:২১ অপরাহ্ণ

ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা আজ ২৭ জুন ২০২২ এক যুক্ত বিবৃতিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘু শিক্ষকদের টার্গেট করে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় গভীর উদ্বেগ ও সে ব্যাপারে প্রশাসনের নির্লিপ্ততা, ক্ষেত্র বিশেষে পক্ষপাতমূলক আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে তারা নড়াইলে একজন সংখ্যালঘু অধ্যক্ষকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পুলিশের উপস্থিতিতে গলায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রেপ্তার ও অপর এক সংখ্যালঘু শিক্ষককে ঐ অধ্যক্ষকে রক্ষা করার চেষ্টা করার জন্য মারধরের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন সারা দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে এটা তারই অংশ। ঐ একই অভিযোগ তুলে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের দু’জন প্রগতিমনা সংখ্যালঘু শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের লেলিয়ে দেয়ার চেষ্টার উল্লেখ করে বলা হয়, এই মহল এখন শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দকেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার কৌশল হিসাবে নিয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক যে প্রশাসনত বটেই, দেশের শিক্ষক সমাজ, যারা সবসময় এ ধরণের ঘটনাবলীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন তারাও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ঘটনাবলীই প্রমাণ করে দেশে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ওয়াজের বয়ানে ও বিভিন্ন মন্তব্যে ভিন্ন ধর্মমত কেবল নয়, স্ব-ধর্মমত বিভিন্ন অংশের বিরুদ্ধে চরম বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ সরকারের কমিটমেন্ট অনুযায়ী সাম্প্রদায়িক শক্তিসমূহের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অপরদিকে সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তি নিজ অবস্থান থেকে ও ঐক্যবদ্ধভাবে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি করার অপচেষ্টা ও সর্বোপরি সাম্প্রদায়িক মানসিকতা তৈরি করতে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার-অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেও আহবান জানিয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির