উজবেকিস্তনের সাথে বাণিজ্য বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে চলতি বছরেই ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন

প্রকাশিত : জুলাই ২৯, ২০২২ , ১০:৫০ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, উজবেকিস্তান বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। উজবেকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য ঢাকায় উজবেকিস্তানের একটি দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যোগাযোগ সহজ করতে উভয় দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে উজবেকিস্তান বরাবরই বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছে, আগামীতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ডাবল টেক্সেশন পদ্ধতি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। এ বিষয়ে উজবেকিস্তান সরকার পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাধাসমূহ দূর করার জন্য একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে চলমান সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক তৃতীয় ইন্টারগভার্মেন্টাল কমিশনের সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সভায় উজবেকিস্তনের উপ-প্রধানমন্ত্রী Jamshid Khodjaev ২২ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং বাংলাদেশের পক্ষে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সভায় দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নিতে উভয় দেশ একমত পোষণ করে। এছাড়া দু’দেশের মধ্যে যে সকল বাণিজ্য বাধা রয়েছে সেগুলো দূর করতেও উভয় দেশের সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ঔষধসহ রপ্তানিপণ্য আমদানি করার জন্য উজবেকিস্থানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া মেডিকেল পণ্য রপ্তানির বিষয়ে উভয় দেশের মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেয়া হয়। উজবেকিস্তান টেকনোলজি ট্রান্সফার, স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও টেক্সটাইল সেক্টরে প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রস্তাব দেয়। এছাড়া ঢাকায় উজবেকিস্তানের একটি দূতাবাস স্থাপন এবং আকাশ পথে যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। সভা শেষে উভয় দেশের মধ্যে এ তৃতীয় সভায় কার্যবিবরণী স্বাক্ষরিত হয়।