দাতা গোষ্ঠীর শর্ত বাস্তবায়নের স্বার্থেই জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধি: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত : আগস্ট ৬, ২০২২ , ৫:২৬ অপরাহ্ণ

ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: আগের দিন জ্বালানী তেলের মূল্য সহনীয় মাত্রায় বাড়ানোর কথা বলে রাতের বেলায় পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন ও অকটেনের মূল্য প্রায় ৪৫% ভাগ বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক এবং জনগণের প্রতি সংবেদন-হীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ বলে অভিমত প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো। জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার প্রেক্ষিতে শনিবার এক বিবৃতিতে পলিটব্যুরো জানায় এমনিতেই মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে ত্রাহি অবস্থা; তার উপর এই মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে কঠিন সংকট তৈরি করবে। জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত পড়বে কৃষি,পরিবহন ও দৈনিন্দন জীবনে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বে যখন জ্বালানী পণ্যের মূল্য কমছে তখন এই মূল্য বৃদ্ধি কার স্বার্থে? বিবৃতিতে বলা হয়, বস্তুত সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ) এর কাছ থেকে যে ঋণ চাইছে তাদের সেই শর্ত পূরণের জন্যই জ্বালানী খাতের ভর্তুকি প্রত্যাহার কৌশলী ব্যবস্থা হিসাবে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে জনগণের উপর দায় চাপানো হলো। এ বিষয়ে জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ‘অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকটা নিরুপায় হয়েই দাম কিছুটা সমন্বয় করা এবং প্রতিবেশী দেশে তেল-পাচারের আশঙ্কার’ যে কল্পিত গল্প সাজিয়েছেন, তা জনগণকে বিভ্রান্ত করার নামান্তর মাত্র। বিবৃতিতে, দেশের মুদ্রা ঘাটতি সমন্বয় করতে গিয়ে, দাতা গোষ্ঠীর শর্ত বাস্তবায়নে জনগণের উপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো বিবেচনা প্রসূত নয় এবং জ্বালানী-খাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করে ঘাটতি পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়। পলিটব্যুরোর বিবৃতিতে, সমন্বয়ের নামে জ্বালানী তেলের অচিন্তনীয় ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।