আইএমএফ এর শর্ত মেনে সরকার বিষ গিললো: রাশেদ খান মেনন

প্রকাশিত : আগস্ট ৬, ২০২২ , ৫:৩৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ডিজেল, কেরোসিনসহ সব ধরণের জ্বালানীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে বলেছেন, ঘাটতি সমন্বয়ের নামে আইএমএফ-এর শর্ত-মানার মধ্য দিয়ে সরকার বিষ গিললো। এই বিষ এখন অর্থনীতির দেহে ছাড়িয়ে রাজনীতি ও সমাজে বিস্তৃত হবে। মেনন বলেন, আইএমএফ যে সব দেশে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, সেসব দেশেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। মেনন বলেন, বৈশ্বিক সংকটের বাস্তবতা স্বীকার করেও যে কথাটি বলা প্রয়োজন, তা’হল এই সংকটের দায়ভার সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া যায় না। জ্বালানী ক্ষেত্রে গত দুই দশকে যে দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে তা এখনও অব্যাহত আছে, সে ব্যাপারে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েই এই সংকট এড়ানো যেত। মেনন বলেন, জনগণ ধৈর্য ধারণ করেছে বলেই ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি জনিত সংকট নিয়ে কিছু করতে পারছেনা। কিন্তু মুষ্টিমেয় দুর্নীতিবাজ, অসৎ ব্যক্তির লোভের ফলে অর্থনীতির যে দশা হতে চলেছে তাতে জনগণের ঐ ধৈর্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পরেছে। এরপরেও গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি হবে মরার উপর খাড়ার ঘা। শনিবার (৬ আগস্ট ২০২২) বিকাল ৩টায় ঢাকা মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এই অভিমত ব্যক্ত করেন। পার্টির কেন্দ্রীয় অফিসে দলীয় নেতা-কর্মীরা সমাবেত হয়ে মিছিল সহকারে প্রেসক্লাবে সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইন। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমরেড জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কমরেড তৌহিদুর রহমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড জাকির হোসেন রাজু, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, কমরেড মহানগর নেতা কমরেড বেনজীর আহমেদ, কমরেড শাহানা ফেরদৌসি লাকী, কমরেড মুর্শিদা আখতার, কমরেড সাদাকাত হোসেন খান বাবুল, কমরেড রফিকুল ইসলাম সুজন, কমরেড আনোয়ারুল ইসলাম টিপু, কমরেড তাপস কুমার রায়, কমরেড তাপস দাস, কমরেড আব্দুল আহাদ মিনার, কমরেড তপন সাহা, কমরেড জাকির হোসেন, কমরেড মামুন মোল্লা, কমরেড অতুলন দাস আলো, কমরেড ওমর ফারুক সুমন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পার্টির কার্যালয় এসে শেষ হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।