বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ছিল শোষকের পরিবর্তে শোষিতের শাসন: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশিত : আগস্ট ৩০, ২০২২ , ১১:০৩ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ছিল শোষকের পরিবর্তে শোষিতের শাসন চালু করা। বঙ্গবন্ধুর তিন বছর সাত মাসের শাসনকালে, শিক্ষা, স্বাস্থ‌্য, যোগাযোগ, শিল্প-বাণিজ‌্যসহ দেশের এমন কোনো খাত নেই যার ভিত্তি তিনি তৈরি করেননি। সংবাদকর্মীদের জন‌্য আইন সেটিও বঙ্গবন্ধুই করে গেছেন। বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূকেন্দ্র স্থাপন, আইটিইউ এবং ইউপিইউ’র সদস‌্য পদ অর্জনের মধ‌্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বীজ বঙ্গবন্ধু রোপণ করেছেন। মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নিউজ নাউ বাংলা-জাগরণ টিভি’র উদ‌্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ‌্যে ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলেও তাঁর বিরুদ্ধে অসত্য, গুজব প্রচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ’৭৫ সালে যে কর্মসূচি নিয়েছিলেন এর প্রেক্ষিত আছে। তিনি কেন দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন তারও কারণ আছে। ৭৪ সালে কিভাবে দুর্ভিক্ষে অপপ্রচার, লুটপাট, সন্ত্রাস, অস্ত্র লুট, খুন এর যে বিস্তৃতি ছিলো তা নিয়ন্ত্রণ করতে বঙ্গবন্ধুকে কঠোর হতে হয়েছিলো। বঙ্গন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে বাকশালকে গালি দেয়া হয়। তিনি বলেন, যেসব সংবাদপত্র নিবন্ধনকৃত তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তা কম করতে হয়। প্রতিদিন মিডিয়া বাড়ছে কিন্তু দায়িত্বশীল সম্পাদকের সংখ্যা বাড়ছে না। যার কারণে অনেকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। তারা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করেন না। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন ‍উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাংবাদিক সমাজের ভূমিকা অপরিসীম বলে উল্লে করেন। নিউজ নাউ এর প্রধান সম্পাদক শামীমা দোলার সভাপতিত্বে এবং জাগরণ টিভির প্রধান সম্পাদক এফ এম শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ, গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা, বিএফইউজে সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব এবং শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. ফেরদৌস খন্দকার বক্তৃতা করেন।