নোয়াখালী জেলা জাসদ সভাপতি গ্রেফতার

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২ , ৯:০২ অপরাহ্ণ

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: জাসদ নেতা নুর আলম চৌধুরী পারভেজ কে (৬২) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা শহর মাইজদী বাস ভবন থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। বিনা কারনে ডিবি পুলিশ তাকে তুলে নেওয়ার বিষয়ে রাতভর কোন তথ্য দেয়নি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। আটকের পর বিভিন্ন মিডিয়া কর্মীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও পুলিশ সুপারকে মোবাইল ফোনে তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সঠিক কোন তথ্য দেয়নি। তবে আটকের কয়েক ঘন্টা পর ডিবি পারভেজকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও এনিয়ে কোন তথ্য দেয়নি। পারভেজের পরিবার জানান তিনি জাসদ (ইনু) নোয়াখালী জেলা সভাপতি। পাশাপাশি তিনি একটি ব্যবসা করেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে কোন মামলা কিংবা জিডি নেই। গ্রগতিশীল বাম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নোয়াখালী জেলা জাসদের সভাপতি নুর আলম চৌধুরী পারভেজ ব্যক্তিগত ভাবে এলাকায় সজ্জন ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত। তিনি নোয়াখালী জেলা বারের প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য। মরহুম এডভোকেট বাদশা আলমের সন্তান। অত্যন্ত পরিচ্ছন রাজনীতিবিদ তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমীর অদূরে বছিরার দোকান সংলগ্ন নিজ বাস ভবনে অবস্থান করছিলেন। রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ১৫-১৬ জন সদস্য তার বাস ভবনে গিয়ে তাকে তুলে নিয়ে আসেন। আনার সময় পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চাইলে ডিবি পুলিশ কোন কারণ বলেনি। হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়া তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে শহরে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতভর এবং বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাকে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার বিকালে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোটে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। জেলা জাসদ (ইনু) এর নোয়াখালী জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আজিজুল হক বকসি পারভেজের আটক ও গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এ গ্রেফতার নিয়ে বেশি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর ওসি নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন একটি বিশেষ কারনে তাকে প্রথমে আটক এবং পরবর্তীতে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।