শেখ রাসেল তাঁর দশ বছরের জীবনে কষ্ট বেদনা এবং সহনশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন

প্রকাশিত : অক্টোবর ১৯, ২০২২ , ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, শহিদ শেখ রাসেল তাঁর দশ বছরের জীবনে অনেক কষ্ট, বেদনা এবং সহনশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তিনি বলেন, শেখ রাসেলের বেদনা, কষ্ট এবং তাঁর আবেগ অনুভূতির কথা লিখেছেন শেখ রাসেলের বড় বোন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তাঁর ‘ছোট রাসেল সোনা’ বইটিতে। শেখ রাসেল নির্মল প্রাণবন্ত হয়ে আমাদের মাঝে চিরদিন থাকবে। প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অভ্ ফেম-এ ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে ‘শেখ রাসেল নির্মম হত্যাকাণ্ড: ন্যায়বিচার, শান্তি ও প্রগতির পথে কালো অধ্যায়’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। শেখ রাসেলের এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে তারা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক উত্তরসূরিদেরকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। সে কারণে আমরা বলি যে শেখ রাসেলের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ন্যায়বিচার, শান্তি এবং প্রগতির পথে সবচেয়ে বড় কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল। পলক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, নিরাপদ বাংলাদেশ পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গড়ে তুলতে চাই। বাংলাদেশের কোটি কোটি শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বপ্ন পূরণের মধ্য দিয়ে আমরা সকলে মিলে শেখ রাসেলকে অমর করে রাখতে চাই। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সূচনা ফাউন্ডেশনের সিইও ডা. সাকি খোন্দকার এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ মশিউর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা। সেমিনারে শেখ রাসেলের ওপর নির্মিত বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনীসহ শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষ্যে নির্মিত থিম সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী আগারগাঁওস্থ আইসিটি টাওয়ারে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক ‘শেখ রাসেল দিবস- ২০২২’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয় একটি আনন্দ শোভাযাত্রা।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’ এর উদ্বোধন ও শেখ রাসেল পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত হন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব ও ৩০০ শেখ রাসেল স্কুল অভ্ ফিউচার-এর উদ্বোধন করেন।