শ্রীহট্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৪৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি

প্রকাশিত : নভেম্বর ২১, ২০২২ , ৭:০১ অপরাহ্ণ

মশাহিদ আহমদ, নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর আওতায় ৫০টি শিল্প ও অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২০ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১১টায় ভার্চুয়ালী এসকল শিল্প স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশব্যাপী ৫০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অংশ হিসাবে ৩৫২ একর আয়তনের শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলটি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর নামক স্থানে শিল্প স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এটি বেজা’র আওতায় স্থাপিত বৃহত্তর সিলেটের প্রথম অর্থনৈতিক অঞ্চল। বিগত ২০১৬ সালে শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এখানে ৬টি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। একে ঘিরে গড়ে উঠা অন্যান্য ব্যবসাতেও লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান হবে। বর্তমানে ডাবল গেজিং ইন্ডাস্ট্রিতে ২০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করা হয়েছে, আরও ১০০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করা হবে। তখন আরও ১ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে- উল্লিখিত ৬টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠান তাদের কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। শ্রীহট্র অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, সিলেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সুপার রওশনুজ্জামান সিদ্দিকী, মৌলভীবাজার পৌর সভার মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান, বেজার সদস্য (এডমিনিট্রেশন এন্ড ফাইন্যান্স) আব্দুল আজিম চৌধুরী, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি মাহতাব মিয়া। ডাবল গেজিং ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান পলি আক্তার এমবি, প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মচারী-কর্মকর্তাবৃন্দ, চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ইউকে এবং মৌলভীবাজার চেম্বার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।