Print

Broadcasting News Corporation

নোয়াখালীতে স্কুল মাঠে কাচের টুকরো: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১৮, ২০২২ , ৮:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২২, ৮:৪১ অপরাহ্ণ

ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন


🔊
খবরটি শুনুন
অডিও শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের নরোত্তমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে কাচের টুকরো ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করেছে। বিষয়টি নিয়ে আবু তালেব নামের এক যুবকের করা একটি ফেসবুক পোষ্ট ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, সম্প্রতি নরোত্তমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির নতুন ভবন করা হয়। আগ থেকেই স্কুলটির সামনে ছোট একটি খেলার মাঠ ছিলো। দীর্ঘদিন থেকে সকালে স্কুল শুরুর আগে বিকাল স্কুল ছুটির পর স্থানীয় যুবকরা ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই মাঠে খেলাধুলা করে আসছে। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকার কয়েকজন যুবক স্কুল মাঠে খেলতে গিয়ে দেখে মাঠের বিভিন্ন স্থানে কাচের টুকরো ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে পা কেটে যাওয়ার আশঙ্কায় তারা আর খেলাধুলা করতে পারেনি। এ নিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দেয়া স্থানীয় আবু তালেব ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খেলাধুলা পড়ালেখার একটি অংশ। খেলাধুলার মাঠ অপরিহার্য। আমাদের বাড়ির পাশে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ছোট একটি মাঠ রয়েছে। আমাদের এলাকায় আর কোন মাঠ না থাকায় আমরা এলাকার কিশোর যুবকরা ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল মাঠে মাঝে মধ্যে খেলাধুলা করি। কিন্তু খুব দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, কে বা কারা এই ছোট মাঠে কাঁচের টুকরো ছিটিয়ে দিয়েছে। তালেব আরো জানান, আমি নিজে মাঠ থেকে অনেকগুলো কাঁচের টুকরো খুঁজে নিয়েছি। কোনো বিবেকবান মানুষ এমন কাজ করতে পারেনা। স্থানীয়রা জানায়, আমরা যতোটুকু শুনেছি এই কাজের নেপথ্যে স্কুলের একজন শিক্ষিকা জড়িত। যার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন? স্কুলের মাঠে কাঁচ পালানোর সাহস ওই শিক্ষক পেলো কোথা থেকে, যেখানে সরকার স্কুলের মাঠ দিয়েছে খেলাধুলা করার জন্য। এলাকাবাসী এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে কথা বলতে প্রধান শিক্ষক মারজাহানের মোবাইলে কল করলেও বন্ধ পাওয়া যায়। নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান টিপুর সাথে কথা বললে তিনি বিষয়টি খোঁজ নেবেন বলে জানান। তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল হান্নান পাটোয়ারীর মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
কল করে পাওয়া যায়নি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদুল ইসলামকেও । একাধিকবার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Post Views: 545

প্রধান বার্তা সম্পাদক ও চেয়ারম্যান: মো. আতিকুর রহমান
ভাইস-চেয়ারম্যান ও ডিরেক্টর: তানভীর আমের হোসেন (নুমান)
প্রধান সম্পাদক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো. রফিকুল ইসলাম
রিপোর্টিং ও প্রধান কার্যালয়: নাহার ম্যানশন (সি-৯), ১৫০ মতিঝিল সি/এ, ঢাকা – ১০০০। বাংলাদেশ।
ফোন: +88 09611-378696 , ইমেইল: [email protected]

© ২০২৪ ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত