Print

Broadcasting News Corporation

যক্ষ্মায় আক্রান্ত ও মৃত্যু অর্ধেকে নেমেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৪, ২০২২ , ১০:৪২ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২২, ১০:৪২ অপরাহ্ণ

ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন


🔊
খবরটি শুনুন
অডিও শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, গত ১০ বছরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে। বুধবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত কমিউনিটি, রাইটস এন্ড জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান ফর টিবি (২০২১-২৩) শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্বে এখন প্রায় এক কোটি লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত। প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ লোক যক্ষ্মায় মারা যায়। আর বাংলাদেশে প্রতি বছর তিন লাখ মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। দেশে বর্তমানে প্রতিবছর যক্ষ্মায় মারা যায় ৪০ হাজার মানুষ, দশ বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার। মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশে অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণ করেছি। আমরা দেশকে পোলিওমুক্ত করেছি। কলেরা, ডায়রিয়া দূর করতে পেরেছি। দেশ টিটেনাসমুক্ত হয়েছে। যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণেও সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, যক্ষ্মাকে আমরা নির্ণয় করতে পারছি এটি ইতিবাচক বিষয়। কারণ, আপনি যদি নির্ণয় করতে পারেন, তাহলে এর চিকিৎসাও আছে। এ কারণেই যক্ষ্মাতে মৃত্যুর হার কমে আসছে। যক্ষ্মায় এখন ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে। জাহিদ মালেক বলেন, পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে, এর মধ্যে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণের তালিকায় বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সেটি কিন্তু অনেক বেশি। আমরা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এ লক্ষ্যে শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করে না, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী কাজ করে। রোগীদেরকে বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। এখন আর বলে না যে যক্ষ্মা রোগে রক্ষা নাই। অবশ্যই রক্ষা আছে। এ সময় যক্ষ্মা রোগ নিয়ে কিছুটা আশঙ্কা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, যারা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মাঝপথে চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন, তারা আরো জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এদিকে, অসংখ্য রোগী শনাক্তের বাইরে থেকে যাচ্ছেন, তাদের কারণে সমাজে রোগটি ছড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদেরকে অবশ্যই শনাক্তে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। নয়তো আরো বিপদজনক অবস্থা তৈরি হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, অধিদপ্তরের পরিচালক ও টিবি-ল্যাপ্রোসি অপারেশন প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ডা. খুরশিদ আলম।

Post Views: 617

প্রধান বার্তা সম্পাদক ও চেয়ারম্যান: মো. আতিকুর রহমান
ভাইস-চেয়ারম্যান ও ডিরেক্টর: তানভীর আমের হোসেন (নুমান)
প্রধান সম্পাদক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো. রফিকুল ইসলাম
রিপোর্টিং ও প্রধান কার্যালয়: নাহার ম্যানশন (সি-৯), ১৫০ মতিঝিল সি/এ, ঢাকা – ১০০০। বাংলাদেশ।
ফোন: +88 09611-378696 , ইমেইল: [email protected]

© ২০২৪ ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত