জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশিত : এপ্রিল ২৭, ২০২২ , ১১:৩২ অপরাহ্ণ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, ফাইল ছবি।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ কর্তৃক ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২২’ উদ্‌যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারকে অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অসচ্ছলতা, অজ্ঞতা ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক প্রতিকূলতার কারণে দেশের দরিদ্র ও সহায় সম্বলহীন জনগণ অনেক ক্ষেত্রে আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। সংবিধানে বর্ণিত ‘আইনের সমান আশ্রয়লাভ’ এর অধিকারকে বাস্তব রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন ২০০০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করার মাধ্যমে সমাজের হতদরিদ্র ও অসচ্ছল জনগোষ্ঠী বর্তমানে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাচ্ছে। সরকারের এ আইনগত সহায়তা কার্যক্রমে সকলের অভিগম্যতা নিশ্চিত করতে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদ্‌যাপন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিচারক, আইনজীবী, এনজিও কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর এ কার্যক্রমের সফলতা নির্ভর করে। আমি বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারি আইগত সহায়তা কার্যক্রমের আওতাধীন মামলাসমূহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। সমাজে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবেন- জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসে এ আমার প্রত্যাশা।
আমি ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
জয় বাংলা। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”