স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট ত্রিপুরা বিনির্মাণে এক সাথে কাজ করার আহ্বান

প্রকাশিত : এপ্রিল ২৯, ২০২২ , ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের সাথে স্মার্ট ত্রিপুরা বিনির্মাণে বাংলাদেশ ত্রিপুরার সাথে নলেজ পার্টনার হিসেবে কাজ করতে চায়।
প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার হোটেল পোলো টাওয়ারে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি বিজনেস সামিট ২০২২’-এ সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ত্রিপুরায় যেহেতু একই রকম আবহাওয়া, পরিবেশ ও সংস্কৃতি রয়েছে তাই দু’দেশ চাইলেই উদ্ভাবনী জাতি গঠনে স্মার্ট শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, পরিবেশ- এসব বিষয়ে একসাথে নীতি প্রণয়ন করতে পারে। সামিটের উদ্দেশ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মেধাবীদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়। এর ফলে আইটি খাতে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর নির্দেশনায় দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ ২০১০ সাল থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন আমরা করেছি। এছাড়াও ১৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেন্টার ফর ফোর আইআর স্থাপন করতে যাচ্ছি। কাজ চলছে ব্লেন্ডেড লার্নিং এর। পলক বলেন, মাত্র ১৩ বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সততা, দূরদর্শিতা ও সাহসিকতা দিয়ে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেছেন। বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বাসের সম্পর্ক রয়েছে । বাংলাদেশ সেটা আরও ঘনিষ্ঠ ও শক্তিশালী করে এক সাথে এগিয়ে যেতে চায়। আইসিটি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং আগরতলা হাইকমিশনের যৌথ আয়োজনে এ আইটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ টু স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক এই সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র, কারা এবং অগ্নি নির্বাপন মন্ত্রী রাম প্রাসাদ পাল এবং হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভারতের ত্রিপুরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার আরিফ মোহাম্মাদ।
অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার আইটি শিল্পের সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন রাজ্য সরকারের শিল্প বাণিজ্য তথা তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের মুখ্য সচিব পুনিত আগারওয়াল।