সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার-বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠক

প্রকাশিত : মে ১৮, ২০২২ , ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিঙ্গাপুরে তৈরিপোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য রপ্তানি হয়। উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযাগ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। উভয় দেশে ব্যবসায়ীরা পারস্পরিক দেশ সফর করে পণ্য নির্বাচন ও বাণিজ্য করতে পারে। তৈরিপোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিজাত পণ্য, ঔষধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একশতটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। পৃথিবীর অনেক দেশ ইতোমধ্যে এখানে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে এসেছে। সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীগণ বাংলাদেশে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করণ, এনার্জি এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করতে পারে, এখানে পণ্য উৎপাদন করে সহজেই অন্য দেশে রপ্তানি করা সম্ভব। বাংলাদেশ সরকার এখন বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে।
মন্ত্রী বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার Derek Loh এর সাথে মতবিনিময়ের সময় এ সব কথা বলেন। সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডিরেক লোহ বলেন, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। পানি পথে পণ্য পরিবহণে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশকে আরো সহযোগিতা দিতে পারে। পণ্যের অবাধ পরিবহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লজিস্টিকস, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সহজ করতে সহায়তা দেয়া সম্ভব। সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়নে সিঙ্গাপুরের পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড সহযোগিতা প্রদান করতে পারে। এছাড়া সেমি-কন্টাকটর উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীগণ দিতে প্রস্তুত। এতে পণ্য পরিবহণে ব্যয় কমানোর যাবে। বিভিন্ন শিল্পের উন্নত কাঁচামাল সিঙ্গাপুর বাংলাদেশে সরবরাহ করে। ডিজিটাল অবকাঠামো ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। হালাল পণ্য রপ্তানিতে সিঙ্গাপুরের সার্টিফিকেশনসহ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে, বাংলাদেশকে অভিজ্ঞতার আলোকে সহযোগিতা করা সম্ভব। এজন্য সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীদের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে উভয় দেশের মধ্যে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময় করতে একমত পোষণ করা হয়। এ সময় উভয় দেশের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।