নারী নেতৃত্ব সৃষ্টি ও ক্ষমতায়ন করতে পরিবারই প্রথম প্রতিষ্ঠান: ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা

প্রকাশিত : জুন ২০, ২০২২ , ১১:০৫ অপরাহ্ণ

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, সংগৃহীত চিত্র।

কিগালি (রুয়ান্ডা), ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নারী নেতৃত্ব সৃষ্টি করা অত্যন্ত কঠিন। পরিবার থেকেই নারীর নেতৃত্ব তৈরি ও নারীর ক্ষমতায়ন করতে হবে। কারণ পরিবারই প্রথম প্রতিষ্ঠান, যা তাদের কন্যা ও বোনদের মাঝে নেতৃত্ব সৃষ্টি ও ক্ষমতায়ন করতে পারে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। সোমবার রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে আয়োজিত ‘৩য় কমনওয়েলথ উইমেন্স ফোরাম’ সম্মেলনের প্রথম দিনের ‘উইমেন ইন লিডারশিপ : বিয়ন্ড নাম্বারস’ সেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন রুয়ান্ডার ফার্স্ট লেডি Jeannette Kagame। স্বাগত বক্তব্য দেন কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল Patricia Scotland QC।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী নেতৃত্ব সৃষ্টিতে বড় বাধা হলো সামাজিক বাধা ও সচেতনতার অভাব। নারী ক্ষমতায়ন হলে সমাজের সকলে উপকৃত হবে। কারণ নারীরা কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সৎ। বিশ্বে যে সকল দেশে নারী সরকার প্রধান আছে, সেখানে নারীর ক্ষমতায়ন দ্রুত হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, বিরোধী দলীয় নেতা নারী ও সংসদীয় উপনেতা নারী, যা বিশ্বে বিরল উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে নারী সচিব, বিচারক, মেজর জেনারেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও জাতিসংঘের অধীনে বাংলাদেশের নারীরা শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে পঞ্চাশটি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। এছাড়া স্থানীয় সরকার পর্যায়েও বিশ হাজার নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধি রয়েছে।
‘উইমেন ইন লিডারশিপ : বিয়ন্ড নাম্বারস’ সেশনে যুক্তরাজ্যের চেরি ব্লেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা Cherie Blair, দক্ষিণ আফ্রিকার সমবায় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী Thembisile Nkandimeng, যুক্তরাজ্যের এমপি Harriet Baldwin, নাইজেরিয়ার আমেরিকান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট Margee ensign ও কমনওয়েলথ লোকাল গভর্নমেন্টের সেক্রেটারি জেনারেল Lucy Slack উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী পরে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী ও চেরি ব্লেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেরি ব্লেয়ারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় চেরি ব্লেয়ার বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্যের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ।