টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সাথে কাতারের ডেপুটি হেড অভ্ মিশনের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : আগস্ট ৩১, ২০২২ , ১০:২৭ অপরাহ্ণ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাথে বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়স্থ দপ্তরে বাংলাদেশে কাতার দূতাবাসের ডেপুটি হেড অভ্ মিশন Saeed Jaralla S S Al-Samikh সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তারা দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও ২০২৬ সালে আইটিইউ’র প্লেনিপটেনসিয়ারি কনফারেন্স -২৬ (PP-26) এর নির্বাচন ও ভেন্যু নিয়ে আলোকপাত করেন। উল্লেখ্য এ বছর সেপ্টেম্বরে রুমানিয়ার বুখারেস্টে অনুষ্ঠিতব্য প্লেনিপটেনসিয়ারি কনফারেন্স-২২ এ সদস্য আইটিইউ সসদ্য দেশসমূহের ভোটের ভিত্তিতে প্লেনিপটেনসিয়ারি কনফারেন্স-২৬ এর ভেন্যু নির্ধারিত হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও কাতার ভ্রাতৃপ্রতিম দু’টি দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক দু’দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে আইটিইউ’র সদস্য পদ অর্জন করে। কাতারও একই বছর আইটিইউ’র সদস্যপদ অর্জন করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতসহ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রগতিতে বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতের অগ্রগতির অভিজ্ঞতা এবং এখাতের দক্ষ মানব সম্পদ কাতারের কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতির ফলে দেশে ডিজিটাল যন্ত্র উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। সরকারের বিনিয়োগবান্ধব এই নীতি কাতার কাজে লাগাতে পারে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মতো একটি বড় ইভেন্ট আয়োজন করার জন্য কাতারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ডেপুটি হেড অভ্ মিশন কম্পিউটারে বাংলা ভাষা প্রণয়নের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দিত করেন এবং কাতার বিশ্বকাপে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান। সৈয়দ যারাল্লা এস এস আল-সামিক বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগখাতসহ বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।