মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সাথে কানাডার উইমেন পিস ও সিকিউরিটি অ্যাম্বাসেডরের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ , ৮:৩০ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সাথে কানাডার উইমেন, পিস ও সিকিউরিটি অ্যাম্বাসেডর জ্যাকুলিন ও’নিল (Jacqueline O Neil) সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাক্ষাৎকালে তারা মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নারী এবং শিশুর প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতময় সময়ে নারীর নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ২০০০ সালের ইউএন রেজুলেশন ১৩২৫ প্রণয়নে বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। যার উদ্দেশ্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সকল নীতিমালা তৈরি, বিশ্লেষণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নারীদের সম্পৃক্তকরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের সমঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এরই আলোকে বাংলাদেশ নারীর শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৯-২০২২ প্রণয়ন করেছে। যা ১১টি মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের দুই হাজার তিনশত বাইশ জন নারী বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতময় স্থানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করেছে এবং বর্তমানে পাঁচশত বিশ জন দায়িত্ব পালন করছে। তারা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করছে।প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ মিয়ানমারের নাগরিক আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এদের উল্লেখযোগ্য অংশ নারী ও শিশু। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে ফেরত পাঠাতে সহযোগিতার জন্য কানাডা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। কানাডার উইমেন, পিস ও সিকিউরিটি অ্যাম্বাসেডর জ্যাকুলিন ও’নিল বলেন, বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ সময় তিনি আগামীতে নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষায় বাংলাদেশের সাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার লিলি নিকোলস (Lilly Nicholls), মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মুহিবুজ্জামান, অ্যাম্বাসেডরের অ্যাডভাইজর কেট ফিয়ানডার (Kate Fiander) ও কানাডা হাইকমিশনের কাউন্সেলর ব্রাডলি কোটস (Bradley Coates) উপস্থিত ছিলেন।