সম্প্রীতির বাংলাদেশ হলো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ , ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সংগৃহীত চিত্র।

বান্দরবান, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধ হলো । সকল ধর্মের, বর্ণের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। এ সম্প্রীতির কারণে আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করেছি। সে সম্প্রীতির বাংলাদেশ হলো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘সম্প্রীতির সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম, পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী বক্তব্য রাখেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ইসলাম প্রচারের জন্য জাতির পিতা ইসলামিক ফাউন্ডেশন করেছিলেন। মাদ্রাসা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড করেছেন। বিভিন্ন ধর্মের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সকলের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট করেছেন। এর চেয়ে বড় সম্প্রীতির নজির বিশ্বে আর নাই। তিনি বলেন, ধর্ম যার যার এদেশ আমাদের সবার। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একে অন্যের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। সম্প্রীতির সমাবেশে বান্দরবানকে সম্প্রীতির সূতিকাগার উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, সম্প্রীতির সূতিকাগার হলো বান্দরবান। কারণ সারা দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায় ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে আছে । বান্দরবানের মতো এত সম্প্রদায় দেশের আর অন্য কোনো জেলায় নেই। মন্ত্রী আরো বলেন, আদিকাল থেকে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলে ভাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একে অন্যের সুখে দুঃখে সাথী হওয়ার ব্যাপারটি বান্দরবানে অনেক আগে থেকে ছিল । সম্প্রীতি আমাদের মধ্যে সবসময় ছিল । আজকে নতুন যুগে এসে এ সম্প্রীতি শব্দটি উদ্ভাবন হলো। সব ধর্মের মানুষের মাঝেই কিছু দুষ্ট লোক থাকে। যে দুষ্ট লোকের কোনো ধর্ম নেই, বর্ণ নেই, সম্প্রদায় নেই । তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। এদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। অনুষ্ঠানের প্রথমেই হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান এ-চার ধর্মের গুরুরা ধর্মে শান্তির কথা আগত অতিথিদের মাঝে তুলে ধরেন।