সৃজনশীলতা একবিংশ শতাব্দীর জ্বালানিস্বরূপ

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ , ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, সৃজনশীলতা হচ্ছে একবিংশ শতাব্দীর জ্বালানিস্বরূপ। সৃজনশীল শিল্পের ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও এ শিল্পের অর্থমূল্য বৈশ্বিক জিডিপির ৩.১%। এতে বিপুল সংখ্যক যুবকের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এ শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে যা বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করে। সৃজনশীল অর্থনীতি সৃজনশীল পণ্য-পরিষেবা, শিল্প-সংস্কৃতি, ধারণা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ এবং প্রযুক্তির বাণিজ্যকে সহজতর করে। প্রতিমন্ত্রী গতকাল মেক্সিকো সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘UNESCO World Conference on Cultural Policies and Sustainable Development, Mondiacult 2022″ কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে ‘The Future of Creative Economy’ শীর্ষক থিমেটিক সেশনে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। ইউনেস্কো কর্তৃক ২০২০ সালে ‘সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ প্রবর্তনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের জাতির পিতার নামে নামকরণ করা এ পুরস্কার সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল শিল্পে আগ্রহী তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। সৃজনশীলতা টেকসই মানব উন্নয়নের জন্য একটি স্বীকৃত নবায়নযোগ্য সম্পদ। আর তরুণরাই এর প্রধান চালিকাশক্তি ও সৃজনশীল অর্থনীতির ভবিষ্যতের পতাকাবাহী। ডিজিটাল মাধ্যমে সংস্কৃতি চর্চায় দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানিয়ে কে এম খালিদ বলেন, এখন ডিজিটাল ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে সংস্কৃতি চর্চা হচ্ছে। অল্প সময়ে বেশিসংখ্যক মানুষের নিকট সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসারে এটি অন্যতম মাধ্যম। তবে এর একটি খারাপ দিকও রয়েছে যদি না এটিকে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও নিয়ন্ত্রিত উপায়ে প্রচার করা হয়। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা থেকে সংস্কৃতিকে বাদ দিলে আমরা এসডিজি’র লক্ষ্য অর্জন করতে পারব না। তিনি উপস্থিত সবাইকে সৃজনশীল অর্থনীতির নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও নিয়ন্ত্রিত ভবিষ্যতের জন্য একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।