উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিজয়ী করতে হবে

প্রকাশিত : অক্টোবর ২০, ২০২২ , ৮:৩০ অপরাহ্ণ

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করতে হবে। এজন্য ঘরে ঘরে যেয়ে নারীদের নিকট সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি, পরিচালনা পরিষদ, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নারীরা পুরুষের চেয়ে বেশি সুযোগ চায় না। তারা সমান সুযোগ চায়। বঙ্গবন্ধু এমন একটি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যে রাষ্ট্র হবে শোষণ ও বঞ্চনা মুক্ত। যেখানে নারী-পুরুষ সমানভাবে নিজ নিজ যোগ্যতায় দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে নারীরা বর্তমানে পুরুষের সমান যোগ্যতা, কোনও কোনও ক্ষেত্রে বেশি দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। যা জাতির পিতার স্বপ্নেরই প্রতিফলন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ য়াহিদুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয় ও দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীন উন্নয়ন প্রকল্প, ক্ষুদ্র ঋণ ও ডে-কেয়ার সেন্টার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট তাহমিনা সুলতানা ও পরিচালনা পরিষদের সদস্য ফারজানা ইয়াসমিন বিপ্লবী বক্তৃতা করেন। এ সময় জাতীয় মহিলা সংস্থা ও জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যানগণ মাঠ পর্যায়ে নারী উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে নতুন প্রকল্প, কর্মসূচি গ্রহণ এবং ক্ষুদ্রঋণের টাকার পরিমাণ বৃদ্ধির প্রস্তাব সভায় তুলে ধরেন।