বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশিত : নভেম্বর ২৬, ২০২২ , ৬:৪৩ অপরাহ্ণ

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ রবিবার ২৭ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের সমবায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সমবায়ের মূল ভিত্তি একতা ও সহযোগিতা। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সমবায়ের ভূমিকা অপরিসীম। সেই গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায়কে মালিকানার ভিত্তিতে উন্নয়নের দ্বিতীয় খাত হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সমবায়ের মাধ্যমে সমাজ থেকে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূর করে শোষণহীন সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি গঠনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। আর সেই আদর্শ ও নীতি ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমবায় খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এ দেশের সমবায়ীদের ইতিহাস গৌরবোজ্জ্বল। সমবায় মুক্তি দিয়েছে এ দেশের দরিদ্র নিষ্পেষিত কৃষককূলকে মহাজনের করাল গ্রাস হতে, বিপ্লব ঘটিয়েছে কৃষিক্ষেত্রে। এছাড়াও গণশিক্ষা, বনায়ন, গৃহায়ন, পরিবহন, দুগ্ধ উৎপাদন, জন্মনিয়ন্ত্রন নীতি, মৎস্য চাষ, সমবায় বাজার স্থাপন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষি তথা দেশের উন্নয়নে সমবায় খাতকে উত্তরোত্তর পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও সর্বাত্মক সহায়তাদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি আশা করি, বার্ষিক সাধারণ সভায় সমবায়ী নেতৃবৃন্দ সমবায় অঙ্গনের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করে সমবায় আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন। বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন-এর ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা সফল হোক-এই কামনা করি।
জয় বাংলা।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”