পর্তুগাল জাতীয় পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠন

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৪, ২০২২ , ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ

লিসবন, পর্তুগাল, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আর দৃঢ় করতে পর্তুগালের জাতীয় পরিষদ ১০ সদস্যবিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ-পর্তুগাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠন করেছে। পর্তুগিজ জাতীয় পরিষদের সহ-সভাপতি (ডেপুটি স্পিকার) ড. আদাঁও সিলভা ১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করেন। সম্প্রতি, পর্তুগালের বর্তমান ১৫তম জাতীয় সংসদ ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ প্রতিষ্ঠার জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের তালিকা হালনাগাদ করে। সর্বমোট ৫৯টি দেশের এ তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার ৩টি দেশসহ মোট ১৪টি এশীয় দেশ রয়েছে এবং প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ মাসে ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ সমূহের সদস্যগণকে নির্বাচিত করা হয়েছে। সদ্যগঠিত এই ‘বাংলাদেশ-পর্তুগাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’-এ সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ড. আদাঁও সিলভা, যিনি মধ্য-ডানপন্থী সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (পি এস ডি)-এর মতাবলম্বী। অন্য সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতাসীন মধ্য-বামপন্থী সোস্যালিস্ট পার্টি (পি এস) থেকে ২ জন সহ-সভাপতিসহ মোট ৪ জন, মধ্য-ডানপন্থী সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (পি এস ডি) থেকে ৪ জন এবং ডানপন্থী শেগা পার্টি থেকে ১ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ সমূহ মূলত পর্তুগাল এবং এর বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর জাতীয় সংসদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া, পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধিকরণে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ সমূহ নানা পদক্ষেপও গ্রহণ করে থাকে। উল্লেখ্য যে, মে ২০২২-এ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম এবং পর্তুগিজ ডেপুটি স্পিকার ড. আদাঁও সিলভা-এর মধ্যে লিসবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় দেশের জাতীয় সংসদের মাঝে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। তার ফলশ্রুতিতেই পর্তুগালের জাতীয় পরিষদ এই প্রথম ‘বাংলাদেশ-পর্তুগাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ প্রতিষ্ঠা করলো। নবগঠিত এই ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও পর্তুগালের জনগণের মাঝে এক নতুন সেতুবন্ধ হিসাবে কাজ করবে এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নিবিড়তর করবে।