বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৮, ২০২২ , ৭:২৬ অপরাহ্ণ

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক চতুর্থ বারের মতো ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনুর্ধ্ব-১৭)-২০২২’ ও তৃতীয়বারের মতো ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭)-২০২২’ আয়োজনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। দেশ ও জাতি গঠনে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সঙ্গে যতবেশি সম্পৃক্ত রাখা যাবে, তারা তত বেশি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে এবং চিন্তা-চেতনা ও মননে আরো বেশি পরিপক্ক ও উন্নত হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেলাধুলা ভালবাসতেন এবং অন্যদেরকেও এক্ষেত্রে উৎসাহ যোগাতেন। স্বাধীনতার পরপরই ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তিনি গঠন করেছিলেন ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা- যেটি আজকের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। একই বছর প্রতিষ্ঠা করেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশন। ফুটবল খেলাকে ঘিরে বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার সুযোগ-সুবিধা ও পরিচর্যার অভাবে তাদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারে না। এক্ষেত্রে ফুটবল প্রতিভা অন্বেষণে বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। ইতোমধ্যে বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট থেকে উঠে এসে অনেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনন্য প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সম্প্রতি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে। দেশের ফুটবলকে আরো এগিয়ে নিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশে ফুটবল ফেডারেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গকে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আশা করি, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ও ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বাংলাদেশকে একটি প্রতিষ্ঠিত ফুটবল শক্তিতে পরিণত করতে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। আমি আশা করি, বিগত বছরের মতো এবারও এ প্রতিযোগিতায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এবং এর মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে অনেক প্রতিভাবান তরুণ ক্রীড়াবিদ যারা আগামীতে দেশের ফুটবল অঙ্গনকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধ করবে। আমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ এ আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং টুর্নামেন্টের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
জয় বাংলা।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”