শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষ্যে ডেনমার্কে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

প্রকাশিত : অক্টোবর ১৯, ২০২২ , ৬:১৫ অপরাহ্ণ

কোপেনহেগেন, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বাংলাদেশ দূতাবাস, কোপেনহেগেন যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল-এঁর ৫৯তম জন্মদিন স্মরণে শেখ রাসেল দিবস-২০২২ উদযাপন করেছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকালে দূতাবাস মিলনায়তনে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডেনমার্কে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের শিশুদের অংশগ্রহণে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে ডেনমার্কের সরকারী-বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শেষে ডেনমার্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দিকী দূতাবাস পরিবারের সদস্য ও অনুষ্ঠানে আগত শিশু কিশোরদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনানো হয়। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। দূতাবাস আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশু কিশোরদের পরিবেশনায় আবৃত্তি, ছড়া, গান উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী শেষে রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির পিতার অসীম আত্মত্যাগের কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন।এরপর তিনি শেখ রাসেলের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রদূত গভীর দুঃখের সাথে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে শেখ রাসেল- এঁর শহিদ হবার কথা স্মরণ করে বলেন, ১০ বছর বয়সী একটি বালককে হত্যা করতে স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল নির্মম ও বর্বর খুনি চক্রের হাত কাপেনি। তিনি বলেন ঘাতকদের ঘৃণ্য অপচেষ্টা সফল হয় নি, শেখ রাসেল মানবিক সত্তা হিসেবে আজো বেঁচে আছে আমাদের মাঝে। নতুন প্রজন্মের কাছে শেখ রাসেল এক ভালোবাসার নাম। মান্যবর রাষ্ট্রদূত নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বাধীনতার চেতনা প্রজ্বলিত করতে উপস্থিত সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এবং ১৫ই আগস্টের সকল শহীদসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ও বিভিন্ন স্বাধীকার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।