স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট আইন চাই

প্রকাশিত : জানুয়ারি ২০, ২০২৩ , ৬:৫০ অপরাহ্ণ

কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: “উপনিবেশিক আইন পরিবর্তন করতে হলে, সংসদে আইন প্রণেতাদেরকে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার শ্লোগান উঠেছে। এক্ষেত্রে প্রধান কাজ হবে স্মার্ট আইন তৈরি করা তাহলেই কেবল মাত্র স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট আইন চাই।” শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ৩ টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২নং হলে বাংলাদেশ আইনজীবী সংসদ-এর উদ্যোগে ‘উপনিবেশিক আইন ও বর্তমান প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি একথা বলেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জনাব জেড আই খান পান্না। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আইনজীবী সংসদের সভাপতি এড. আকসির এম চৌধুরী। ধারণাপত্র পেশ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী এড. ফিরোজ আলম, বক্তব্য রাখেন সহকারি এটর্নি জেনারেল এড. নজরুল ইসলাম, নড়াইল বারের সিনিয়র আইনজীবী এড. নজরুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ এড. টিপু সুলতান ও সিনিয়র এড. জোবায়দা পারভীন, মেনন আরও বলেন, আমলা, ব্যবসায়ী মুক্ত সংসদ ও উপনিবেশিক আইন বদলাতে হলে আইনজীবী, আইন প্রণেতাসহ ও ‘ল’ কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে। ’৭২ সালের সংবিধান একটি সুন্দর হলো কিন্তু কিছুদিন পরে দেখা গেল ৫৪ ধারার মতো বিশেষ ক্ষমতা আইন ও জরুরী ক্ষমতা প্রয়োগের আইন করা হলো। এ পর্যন্ত কেউ এই বাতিল করে নাই। ৭৫ সালে নারকীয় হত্যা কাণ্ডের পর ইনডেমিনিটি অর্ডিন্যান্স আইন হয়েছিল পরবর্তীতে আইন বাতিল হল। অপারেশন ক্লিন-হার্ট পরে ইনডেমিনিটি দেওয়ার কারণে এসময় যারা আহত-নিহত হয়েছিল তারা বিচার পায়নি। এখনও বিদ্যুতের উপর ইনডেমিনিটি আছে। যেকারণে জনগণ ভোগান্তির মধ্যে আছে। বার বার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ছে। প্রধান আলোচক সিনিয়র আইনজীবী জনাব জেড আই খান পান্না বলেন, সরকারি দুর্নীতিবাজদেরকে ধরতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে অনুমতি নিতে হয়। এটা উপনিবেশিক আইন থাকার কারণে হয়েছে। আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশিক আইন পরিবর্তন ও বিলুপ্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ২০ জেলার আদালতে উপনিবেশিক আইনি জটিলতা কারণে মানিকগঞ্জে প্রকাশ্যে ঘুষ ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে। আমলা হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের চাকর তারা আইনকে নানা ভাবে নিজেদের পক্ষে নিয়ে জনগণের রাজা হয়ে বসে আছেন। উপনিবেশিক আইন পরিবর্তন না হলে, এর পরিবর্তন হবে না। আইনজীবীদেরকে এ অবস্থা বদলানোর জন্য জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। স্বল্প সংখ্যক আইনজীবী হলেও আন্দোলনটা শুরু করা দরকার। তিনি বলেন, বিচারপতি নিয়োগের জন্য নতুন আইন হচ্ছে এই আইন যেনও সৎ, যোগ্য, সক্ষম ব্যক্তিদের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়। যাতে তারা পক্ষপাতহীন থাকে।