দেশের ৮০ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়

প্রকাশিত : জানুয়ারি ৪, ২০২৩ , ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাইভেটলি স্থাপন করা হয়। কিন্ত দেশের ৮০ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়। এছাড়া দেশের বিশ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের আর্থিক সম্পৃক্ততা নেই। তবে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের স্টাইপ্যান্ড ও বই- এর সব কিছুই সরকার দিয়ে থাকে। তিনি বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্ততরের অধীনে ২০ হাজার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত আছে প্রায় ১৭ হাজার । লন-এমপিও আছে মাত্র ১ হাজার ৯১৪টি। গত তিন বছরে সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্ট ২০২২’ এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশ অংশের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোলাবরেশনে এ বছরের শেষ নাগাদ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট কানেকশন দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে থাকেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান ভালো থাকে। সেখানে ভর্তির জন্য সবাই উদগ্রিব থাকেন। আমি আপনাদের ছোট একটি তথ্য দেই। ভর্তি বাণিজ্য, ভর্তি যুদ্ধ, সেগুলো দূর করার জন্য লটারিতে ভর্তির পদ্ধতি চালু করা হয়। এ বছর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৮০ আসনের জন্য আবেদন করেছে দুই লাখ ৭৬ হাজার। আর সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ৭ হাজার ৯০৭টি। আবেদন করেছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, কয়েকটি হাতে গোনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশসেরা মেধাবীদের নিয়ে নেয়, ঢাকার কয়েকটি স্কুল, জেলা শহরের প্রধান স্কুল গুলো। দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাটা অনেক বেশি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্ততরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ। ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ প্রতিবেদনের বাংলাদেশ ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি তুলে ধরেন।