সুনামগঞ্জে বন্যায় ভেসে যাওয়া কাঠ আটকে রাখার অভিযোগ

প্রকাশিত : জুলাই ২১, ২০২২ , ২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

ডাঃ নয়ন রায়, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর গ্রামের মৃত রহিম উল্লাহর ছেলে হাজী আব্দুল মজিদের মালিকানাধীন হাজী আবদুল মজিদ স- মিলের প্রোঃ মোঃ জহুরুল ইসলামদের নিজ বাড়ির সামনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ওই মিলের সাথের জায়গায় তাদের ব্যক্তিগত ও এলাকার লোকজনের রাখা বিভিন্ন জাতের গাছের পিস লম্বে ৫ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত ও গোলে ২ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত প্রায় শতাধিক পিস কাঠ রাখা ছিল। গত ১৭ জুন ২০২২ ইং তারিখ জগন্নাথপুর উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়ে যায়। তখন স-মিল মালিক-পক্ষ সব কিছু ফেলে রেখে দিশেহারা অবস্থায় স্থানীয় শিবগঞ্জ বাজারে আশ্রয় নেন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর মালিক পক্ষ বাড়িতে আসেন এবং স-মিলে গিয়ে দেখতে পান, মিলে রাখা অধিকাংশ কাঠের পিস বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে করে মালিক পক্ষের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মালিক পক্ষ জানান । মালিক পক্ষ স-মিলে যেয়ে দেখতে পান যে কিছু সংখ্যক গাছের পিস মিলের আশপাশে পরে রয়েছে। খোজ নিয়ে জানতে পারেন যে, অধিকাংশ গাছের পিস মালিক পক্ষ বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী মৃত আবদুল মালিকের ছেলে রাহিবুল মিয়া, মুসতাহিদ মিয়া, মুহিবুল মিয়া, তাকবুল মিয়া, মৃত আবদুল ছত্তারের ছেলে শুকুর মিয়া, ও সৈয়দুল মিয়ারা বন্যার সময় স-মিলের মালিক পক্ষ বাড়িতে না থাকার সুযোগে অধিকাংশ কাঠের পিস আত্মসাতের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে। মালিক পক্ষ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, উল্লেখিত ব্যক্তি গানের বাড়িতে গাছের পিস গুলো লুকায়িত ভাবে রাখা আছে। তখন মালিক পক্ষ কাঠ ফেরৎ চাইলে তারা কাঠ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ ব্যাপারে স-মিলের প্রোপাইটার মোঃ জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৯ জুলাই জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছু সংখ্যক গাছের পিস উদ্ধার করেন। সরজমিনে গেলে স-মিল এর হেড মিস্ত্রী রুমন আহমদ ও সহকারি মিলকাছ মিয়া জানান, বন্যার আগে প্রায় শতাধিক গাছের পিস রাখা ছিল। বন্যার পানি কমার পর মিলে এসে দেখা যায় অধিকাংশ কাঠের পিস নাই। স-মিল মালিক হাজী আবদুল মজিদ বলেন আমার ব্যক্তিগত ও অন্যান্য লোকজনের প্রায় শতাধিক কাঠের পিস রাখা ছিল, যার মূল্য অনুমান ৫ লাখ টাকা হবে । এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিয়া উদ্দিন বলেন বাদী পক্ষের কিছু গাছের পিস বিবাদীদের বাড়িতে বন্যার পানিতে ভেসে গেছে এবং বিবাদীদের নিজস্ব কিছু গাছ তাদের বাড়িতে রয়েছে।