ফিটনেস বিহীন গাড়িতে কোরবানির পশু পরিবহন না করার অনুরোধ

প্রকাশিত : জুলাই ৩, ২০২২ , ১০:০১ অপরাহ্ণ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ফিটনেস বিহীন গাড়িতে কোরবানির পশু পরিবহন না করার জন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের অনুরোধ জানিয়েছেন। সেইসাথে সিএনজি ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান মন্ত্রী। পোশাক শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়ার জন্য তিনি বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ এর নেতৃবৃন্দদের প্রতিও আহ্বান জানান।
রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় রবিবার এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের উপর পশুর হাট বসানো যাবে না। মন্ত্রী আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় অনেক পশু-বাহী যানবাহন এ পথে ঢাকায় আসবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়বে। এ চাপ মোকাবিলায় পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাসহ বঙ্গবন্ধু সেতু, মেঘনা এবং গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় বুথ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। গণ-পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, অনুমোদিত এলাকার বাইরে মোটরসাইকেল রাইড-শেয়ারিং করা যাবে না এবং পবিত্র ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন সারা দেশের মহাসড়কে যৌক্তিক কারণ ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। পাশাপাশি এক জেলায় রেজিস্ট্রেশন-কৃত মোটরসাইকেল অন্য জেলায় চালানো যাবে না। তবে যৌক্তিক ও অনিবার্য প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে। নিত্যপন্য, কাঁচামাল, ওষুধ, জ্বালানি তেল, গার্মেন্টস সামগ্রী, রপ্তানি পণ্য, পচনশীল দ্রব্য ও পশু-বাহী ট্রাক ছাড়া ভারী পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং লরি ঈদের আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন সারা দেশের মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ। এ নির্দেশনা অমান্য-কারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং বিভাগীয় কমিশনার, হাইওয়ে পুলিশসহ বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।