ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হবে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত দ্বিতীয় রেল লাইন

প্রকাশিত : আগস্ট ৯, ২০২২ , ৬:৫৩ অপরাহ্ণ

রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন, সংগৃহীত চিত্র।

জয়দেবপুর, গাজীপুর, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু হচ্ছে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত নির্মাণাধীন ডুয়েল গেজ ডাবল রেল লাইন। রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন মঙ্গলবার ঢাকা টঙ্গী সেকশনের তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ এবং টঙ্গী -জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনের সময় জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে একথা বলেন। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ স্টেশন চালু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে ৪৭ হাজার ৬০০ জনের একটি জনবল কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে এবং আমরা নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছি। মন্ত্রী বলেন, গত ৬ আগস্ট তারিখে সহকারী স্টেশন মাস্টারের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে । দ্রুত সময়ের মধ্যে লোকবল নিয়োগ দিলে স্টেশনসমূহ চালু করা সম্ভব হবে। লেভেল ক্রসিং গেটে দুর্ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ট্রেনকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই আমরা লেভেল ক্রসিং এ লোক নিয়োগ দিয়ে থাকি কিন্তু বিভিন্ন সংস্থা তারা তাদের মতো করে রেললাইনের উপর রাস্তা তৈরি করছে। এক্ষেত্রে তাদেরকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। সম্প্রতি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়ানো বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি তবে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে প্রাথমিক চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বিভিন্ন পরিবহন সংস্থা যেভাবে ভাড়া বাড়িয়েছে আমাদেরকেও সে বাস্তবতা অনুযায়ী সমন্বয় সাধন করা দরকার। উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত তৃতীয় এবং চতুর্থ ডুয়েলগেজ এবং টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সেকশনে ডুয়েলগেজ ডবল রেল লাইনটি ভারতীয় এলওসি এর অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত মোট ৪২ কিলোমিটারের মধ্যে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার রেল লাইন এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। প্রকল্পের নির্মাণ মূল্য এক হাজার তিনশো কোটি টাকা। মঙ্গলবার রেলপথ মন্ত্রী গ্যাংকার যোগে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত পুরো অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন। এ পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অবকাঠামো মোঃ কামরুল আহসান, প্রকল্প পরিচালক নাজনীন আরা কেয়াসহ বিভাগীয় পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছিলেন।