ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতিফলন ঘটাতে হবে

প্রকাশিত : আগস্ট ১৯, ২০২২ , ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের মাতৃভাষাকে মর্যাদা দিয়েছেন, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন সেগুলো আমাদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে অনুসরণ করার পাশাপাশি কর্মের মাধ্যমে প্রতিফলন ঘটাতে হবে। প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ সকল শহিদ স্মরণে ‘শোক হোক শক্তি, শোক থেকে জাগরণ, মুজিব তুমি স্মৃতিতে শ্রদ্ধায় থাকবে আমরণ..’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সৎ, সাহসী ও আপসহীন। ১৯৩৮ সালে অবিভক্ত বাংলার শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যখন গোপালগঞ্জের মিশন স্কুল পরিদর্শনে যান তখন বঙ্গবন্ধু সে স্কুলের চাল মেরামতের ন্যায্য দাবির কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেননি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সৎ, রাজনৈতিক জীবনে সাহসী, পারিবারিক জীবনে স্বচ্ছ,জাতীয় জীবনে অত্যন্ত দূরদর্শী এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ছিলেন ন্যায়পরায়নতার প্রতীক। পলক বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সোনার বাংলা গড়ার চিন্তা করতেন। বঙ্গবন্ধুর বৈষম্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার মূল কেন্দ্ৰবিন্দুই ছিলো বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ। তিনি বলেন, বেতবুনিয়ায় স্যাটেলাইটের উপকেন্দ্র স্থাপন করার মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ভিত্তি রচনা করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শামসুন নাহার হল শাখার সভাপতি খাদিজা আখতার উর্মির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।