জেট্রো এবং আইসিটি বিভাগ উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ বিকাশে এক সাথে কাজ করবে

প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৫, ২০২৩ , ৮:১০ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো) উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ বিকাশে আইসিটি ডিভিশনের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। বুধবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে বাংলাদেশ এবং জাপানের বন্ধুত্বের ৫০ বছর উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত বৈঠকে জেট্রো প্রেসিডেন্ট Kazushige Nobutani এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে জেট্রো প্রেসিডেন্ট বলেন, জেট্রো জাপানের আইটি সেক্টরের সম্ভাবনা ও সুযোগ অন্বেষণে, স্থানীয় স্টার্টআপে সহযোগিতা, যৌথ ওয়েবিনার ও সেমিনার, জাপানিজ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের আয়োজন এবং জাপানে ইভেন্ট আয়োজনে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করবে। এসব কার্যক্রম মূলত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে জাপান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে সফলভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পর এবার আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। জাপান মেট্রোরেল, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করেছে। আগামীতে জাপান-বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় জাপান সরকার সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার স্টার্টআপ, উদ্ভাবন ও গবেষণার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ উল্লেখ করে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে আইটি সামিটের আয়োজন এবং ২৫টি বাংলাদেশের স্টার্টআপ ও ২৫টি জাপানের স্টার্টআপসহ মোট ৫০টি স্টার্টআপ বিনিময়ের প্রস্তাব দেন। জাপানের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ আইটি কানেক্ট-জাপান পোর্টালের মাধ্যমে জাপান ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশে স্টার্টআপ বিকাশে জাপানের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করে কাজুশিজে বলেন, তারা ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে স্টার্টআপের বিকাশে সহযোগিতা করবেন।
এর আগে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ ‘বিল্ডিং অ্যান ইনক্লুসিভ অ্যান্ড রিজিলিয়েন্ট স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন। সরকারের পক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, এনহেন্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (ইডিজিই) প্রকল্প পরিচালক ড. মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, জেট্রোর পক্ষে নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইয়ুমি মুরায়ামা, জেট্রোর ডিজি সাতোশি কুবোতা, জেট্রোর আবাসিক প্রতিনিধি ইয়োজি আনদো এবং জেট্রোর সিনিয়র পরিচালক শরিফুল আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জাপানি প্রতিনিধিদল এসময় আইডিয়া প্রকল্প, এটুআই প্রকল্প ও ডিজিটাল লিটারেসি এজেন্সি পরিদর্শন করেন।