ফেসবুক পোস্ট দেখে মসজিদের জন্য মাইক দিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা

প্রকাশিত : জুলাই ২৩, ২০২২ , ৮:৪৪ অপরাহ্ণ

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ৬নং ওয়ার্ডের ম্যাজিস্ট্রেট প্রজেক্ট জামে মসজিদের জন্য একসেট মাইক উপহার হিসেবে প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নুরুল করিম জুয়েল। শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে চর হাজারী ইউনিয়নের হাজারী হাট বাজারে নুরুল করিম জুয়েল এর নিজস্ব কার্যালয়ে মসজিদ কমিটির সদস্যদের হাতে এই মাইক সেট বুঝিয়ে দেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন, মোঃ মিলন, মমিনুল হক, সাংবাদিক নুর উদ্দিন মুরাদ এবং নোয়াখালী টিভির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হামিদ রনি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বেশীরভাগ অংশ পড়েছে নদীর ওপারে (উড়ির চর) এলাকায়। একসময় এই এলাকায় মানুষের বসবাস কম থাকলেও বর্তমানে এখানে ঘনবসতি শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রত্যন্ত চর এলাকা হওয়ায় এখানে বেশীরভাগ পরিবার হত-দরিদ্র এবং এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির বেশ দূরত্ব রয়েছে। এখানে কয়েক এলাকার মুসুল্লিদের জন্য মাত্র একটি মসজিদ। তাও আবার মাইক না থাকায় আজানের আওয়াজ সবাই শুনতে পায় না। যার কারনে মসজিদ কমিটি দীর্ঘদিন ধরে একসেট মাইক ব্যবস্থা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি জানার পর ১৮ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নোয়াখালীর স্থানীয় অনলাইন টেলিভিশন নোয়াখালী টিভিতে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্ট দেওয়ার ১৭ মিনিটের মাথায় পোস্টটা নজরে আসে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর হাজারী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য নুরুল করিম জুয়েলের। সাথে সাথে তিনি নোয়াখালী টিভির পরিচালক কে কনফার্ম করেন মসজিদের জন্য পুরো একসেট মাইক তিনি উপহার হিসেবে প্রদান করবেন। দীর্ঘদিনের চাওয়া মাইক সেট উপহার হিসেবে পেয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নুরুল করিম জুয়েল এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মসজিদ কমিটি। যুবলীগ নেতা নুরুল করিম জুয়েল বলেন, ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্র এবং এতিমখানা ও মসজিদ গুলো সমাজের প্রয়োজনে এবং ইসলামী শিক্ষা যথাযথ ভাবে শিখার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা পারিবারিক ভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে সর্বোচ্চ সম্মান এবং গুরুত্ব দিই। আমার মা-বাবার নামে করা কোহিনূর হুদা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমি সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিম খানা সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর সাথে যুক্ত থাকতে এবং সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও হত-দরিদ্র মানুষগুলোর পাশে থাকতে। তারই অংশ হিসেবে আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। এসময় তিনি সমাজের বিত্তবান মানুষদেরকেও এসব সামাজিক, মানবিক এবং ধর্মীয় কাজে এগিয়ে আসার আহবান জানান।