বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রকাশিত : জুন ৮, ২০২২ , ৫:১৯ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার ৯ জুন ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২২’ পালন করছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বিএবি’র সকল অংশীজন এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘Accreditation: Sustainability in Economic Growth and the Environment’ বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। অপরিকল্পিতভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ফলে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ অবক্ষয় এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে; সষ্টি হচ্ছে ভারসাম্যহীন উন্নয়ন। ফলে বিশ্ব প্রতিনিয়ত বিভিন্ন হুমকি এবং চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ এবং পরিবেশ রক্ষা করে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিকগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)’ অর্জনের লক্ষ্যে এর লক্ষ্যমাত্রাসমূহকে সপ্তম ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সমন্বিত করেছে। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকারের দূরদর্শী এবং যুগোপযোগী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ গত এক দশকে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের এক ‘রোল মডেল’। এ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০’ অর্জনে অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে। আমি আশা করি, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনসহ জাতীয় মান অবকাঠামো উন্নয়ন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বিএবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আমি ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২২’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”